
সহিহ হাদিস থেকে জানা যায়, নবী মুহাম্মদ নিজেই দাস কেনাবেচা অর্থাৎ দাস ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। এটি কেবলমাত্র একটি ঐতিহাসিক বাস্তবতা নয়, বরং ইসলামের বিধিবিধানের নৈতিক অবক্ষয়ের একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। মুহাম্মদ নিজেকে একজন নবী হিসেবে দাবী করার পরেও, তিনি এই বর্বর প্রথার বিলোপ ঘটানোর পরিবর্তে নিজেই এর সাথে সরাসরি জড়িয়ে পড়েন। যুদ্ধবন্দীদের দাসে রূপান্তরিত করা এবং তাদের বিক্রি করা বা উপহার হিসেবে প্রদান করার মতো কাজ কোনোভাবেই নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এমনকি মুহাম্মদ নিজেও দাসদের কাজে নিযুক্ত করেছিলেন, তাদের সাথে যৌন কর্ম করেছেন এবং তাদের কেনাবেচাও করেছেন। মুহাম্মদের এই কর্মকাণ্ড দাসপ্রথাকে বৈধতা প্রদান করেছে এবং ইসলামী সমাজে এটি প্রতিষ্ঠিত ও দীর্ঘস্থায়ী করেছে। আসুন নবীর দাস কেনাবেচার রেফারেন্সগুলো দেখে নেয়া যাক, [1] [2]
সুনান ইবনু মাজাহ
১২/ ব্যবসা-বাণিজ্য
পরিচ্ছেদঃ ১২/৪৭. গোলাম ক্রয়-বিক্রয়
১/২২৫১। আবদুল মাজীদ ইবনে ওয়াহব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আদ্দা ইবনে খালিদ ইবনে হাওয়া (রাঃ) আমাকে বললেন, আমি কি তোমাকে সেই পত্র পড়ে শুনাবো না, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে লিখেছিলেন? রাবী বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ। অতএব তিনি আমার সামনে একখানি পত্র বের করলেন, যাতে লেখা ছিলঃ ’’আদ্দা ইবনে খালিদ ইবনে হাওয়া আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদের নিকট থেকে যা ক্রয় করেছেন এটা তার দলীল। সে তাঁর নিকট থেকে একটি গোলাম বা বাঁদী ক্রয় করেছে, যার কোন রোগ-ব্যাধি নাই, যা চুরিকৃতও নয় এবং হারাম মালও নয়। এ হলো দু’ মুসলিমের পারস্পরিক ক্রয়-বিক্রয়’’।
তিরমিযী ১২১৬, তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী আব্বাদ বিন লায়স সম্পর্কে আবু জা’ফার আল-উকায়লী বলেন, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আহমাদ বিন শু’আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩০৯২, ১৪/১৫৪ নং পৃষ্ঠা)
হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)

বনু কুরাইজা গোত্রের ওপর গণহত্যা চালাবার পরেও নবী মুহাম্মদ বনু কুরাইজা গোত্রের নারী ও শিশুদের দাস বানাবার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু সেইসব দাসদের ভাগ্যে কী ঘটেছিল? তাদের কিছু অংশ নবী মুহাম্মদের নির্দেশেই বিক্রি করে সেই মূল্য দিয়ে অস্ত্র এবং ঘোড়া কিনেছিলেন নবী মুহাম্মদের অনুসারীরা- [3]

About This Article
Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis
Epistemic Position: Scientific Skepticism
This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.
It applies historical criticism, empirical reasoning, logical analysis, and scientific skepticism in evaluating religious, philosophical, and historical claims.
The objective is not theological neutrality, but evidence-based critical examination and adversarial analysis of ideas and narratives.
This article should primarily be evaluated through: source quality, evidentiary strength, logical rigor, and factual consistency.
