মুক্তদাসের সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার মালিকের

ইসলামের বিধান হচ্ছে, কোন গোলাম বা দাস যদি কোন বিশেষ কাজে দক্ষ হয়, মালিকের কাজ শেষ করার পরেও অন্য সময়ে সেই কাজ করে সে যদি কোন অর্থ উপার্জন করতে পারে, বা কেউ যদি তাকে কোন অর্থ সম্পদ দান করে, সেই অর্থ সম্পদের মালিক হয়ে যাবে তার মালিক। অর্থাৎ তার কোন অর্থ সম্পদ থাকলে তা মালিকেরই [1]

মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-১৪ঃ গোলাম মুক্তিকরণ
পরিচ্ছেদঃ ১. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ – অংশীদারী গোলাম মুক্তি করা ও নিকটাত্মীয়কে ক্রয় করা এবং অসুস্থাবস্থায় গোলাম মুক্তি করা
৩৩৯৬-[৯] ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার গোলামকে মুক্ত করে এবং সেই গোলামের যদি অর্থ-সম্পদ থাকে তাহলে মালিক তার ঐ সম্পদের অধিকারী হবে। তবে মালিক যদি ভিন্ন কোনো শর্ত করে। (আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ)[1]
[1] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩৯৬২, ইবনু মাজাহ ২৫২৯, ইরওয়া ১৭৪৯, সহীহ আল জামি‘ ৬০৫৪।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)

ইসলামে যেই দাস মুক্তির কথা কিংবা গোলাম আযাদ করার কথা বলা হয়েছে, সেই মুক্তি কিংবা আযাদী কিন্তু নিঃশর্ত নয়। ইসলামে এই মুক্তিও শর্ত সাপেক্ষ। শর্তটি হচ্ছে, ঐ দাস বা দাসীর মৃত্যুর পরে তার বিষয় সম্পত্তি সব কিছুইর উত্তরাধিকার হবে তার প্রাক্তন মালিক। অর্থাৎ ইসলাম দাস মুক্তির মধ্যেও এমন এক বিধান ঢুকিয়ে রেখেছে যে, সেটিকে আর মুক্তি বলা যায় না। কারণ নবী বলেছেন, ওয়ালা এর হক তারই, যে আযাদ করে।

ইসলামপন্থীদের কাছে থেকে একটি হাদিস আপনি অনেকবারই শুনবেন, হাদিসটি আয়িশার একজন দাসী বারীরা সম্পর্কিত। সেই হাদিসটি দেখিয়ে অনেক মুমিনই দাবী করে, নবীর স্ত্রীগণ দাস দাসী মুক্ত করতে নিজের অর্থ সম্পদ খরচ করতেন। অথচ, আসল সত্য জানা যায় হাদিসটি ভালভাবে পড়লে। সেই হাদিসে আসলে আয়িশা বারীরার ওয়ালার অধিকারী হওয়ার জন্যেই বারীরাকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। আয়িশা সরাসরিই প্রস্তাব দিয়েছিলেন, ওয়ালার অধিকার আয়িশার থাকলে তাহলেই শুধুমাত্র সে বারীরার মুক্তির বাকি অর্থ প্রদান করবেন [2] [3] [4]

সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২১/ দাসমুক্তি
পরিচ্ছেদঃ ১. মুক্তদাসে অভিবাবকত্ব হবে মুক্তিদাতার
৩৬৩৮। আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু আলা হামদানী (রহঃ) … আবু উসামা হতে, তিনি হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) হতে, তিনি নিজ পিতা হতে এবং তিনি আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, একদিন বারীরা (রাঃ) আমার কাছে এল। এরপর সে বলল, আমার মুনিব আমাকে প্রতি বছর এক উকিয়া করে নয় বছরে নয় উকিয়া (চল্লিশ দিরহামে এক উকিয়া) আদায় করার শর্তে আমাকে মুক্তিদানের চুক্তি করেছে। আপনি আমাকে সাহায্য করুন। আমি [আয়িশা (রা)] তাকে বললাম, তোমার মুনিব যদি এই শর্তে রাজী হয় যে, তোমার মুক্তিপণ এক সঙ্গে আদায় করে দিলে তোমার “ওয়ালা” আমার প্রাপ্য হবে তাহলে আমি তোমাকে মুক্তির ব্যাপারে সাহায্য করতে পারি।
তখন বারীরা (রাঃ) এই বিষয়টি তার মুনিবের কাছে উত্থাপন করলে তাদের জন্য ’ওয়ালা’ ব্যাতিরেকে তারা তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল। এরপর সে আমার (আয়িশা (রা) এর) কাছে এসে তাদের কথা বলল। তিনি বলেন, আমি তাকে ধমক দিয়ে বললাম, তাহলে আল্লাহর কসম! আমি রাজী নই।
আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়টি শুনলেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন। তার কাছে সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। এরপর তিনি বললেন, হে আয়িশা! তুমি তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দাও এবং তাদের জন্য ওয়ালার শর্তে রাবী হয়ে যাও। প্রকৃত পক্ষে ওয়ালা সেই পাবে যে মুক্তি দান করে। আমি (আয়িশা) তাই করলাম।
রাবী বলেন, এরপর সন্ধ্যাবেলা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ দিলেন। তিনি আল্লাহর যথাযথ প্রশংসা ও তাঁর মহিমা ঘোষণা করলেন। এরপর বললেনঃ লোকের অবস্থা এই পর্যায়ে নেমে গিয়েছে যে, তারা এমন সব শর্তারোপ করে যা আল্লাহর কিতাবে নেই। স্মরণ রাখ, যে শর্ত আল্লাহর কিতাবে নেই তা বাতিল বলে গণ্য, যদিও শতবার শর্তারোপ করা হয়। আল্লাহর কিতাবের শর্তই যথার্থ, আল্লাহর শর্তই নির্ভরযোগ্য। তোমাদের মধ্যে কতক লোকের কি হয়েছে যে, তারা অপরকে বলে অমুককে মুক্ত করে দাও আর ’ওয়ালা’ গ্রহণ করব আমরা? অথচ “ওয়ালা” তো তারই যে আযাদ করে।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)

সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২৬/ ক্রয় – বিক্রয়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৪৯. ক্রয়-বিক্রয়ে এমন শর্ত করা যা অবৈধ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ২০৩৪, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ২১৬৮
২০৩৪. আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত, বারীরা (রাঃ) আমার কাছে এসে বলল, আমি আমার মালিক পক্ষের সাথে নয় উকিয়া দেওয়ার শর্তে মুকাতাবা* করেছি। প্রতি বছর যা থেকে এক উকিয়া* করে দেওয়া হবে। আপনি (এ ব্যাপারে) আমাকে সাহায্য করুন। আমি বললাম, যদি তোমার মালিক পক্ষ পছন্দ করে যে, আমি তাদের একবারেই তা পরিশোধ করব এবং তোমার ওয়ালা (আযাদ সূত্রে উত্তরাধিকার) এর অধিকার আমার হবে, তবে আমি তা করব। তখন বারীরা (রাঃ) তার মালিকদের নিকট গেল এবং তাদের তা বলল। তারা তা অস্বীকার করল। বারীরা (রাঃ) তাদের নিকট থেকে (আমার কাছে) এলো। আর তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সে বলল আপনার কথা তাদের কাছে পেশ করেছিলাম। কিন্তু তারা নিজেদের জন্য ওয়ালার অধিকার সংরক্ষন ছাড়া রাযী হয়নি।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শুনলেন, আয়িশা (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তা সবিস্তারে জানালেন। তিনি বললেন, তুমি তাকে নিয়ে নাও এবং তাদের জন্য ওয়ালার শর্ত মেনে নাও। কেননা, ওয়ালা এর হক তারই, যে আযাদ করে। আয়িশা (রাঃ) তাই করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনসমুক্ষে দাঁড়িয়ে মহান আল্লাহ্ তা’আলার হামদ ও সানা বর্ননা করলেন।
তারপর বললেন, লোকদের কী হল যে, তারা এমন শর্ত আরোপ করে, যা মহান আল্লাহ্ তা’আলার বিধানে নেই। মহান আল্লাহ্ তা’আলার বিধানে যে শর্তের উল্লেখ নেই, তা বাতিল বলে গন্য হবে, শত শর্ত হলেও। মহান আল্লাহ্ তা’আলার ফায়সালাই সঠিক, মহান আল্লাহ্ তা’আলার শর্তই সুদৃঢ়। ওয়ালার হক তো তারই, যে আযাদ করে।
* নিজের দাস-দাসীকে কোন কিছুর বিনিময়ে আযাদ করার চুক্তিকে মুকাতাবা বলে।
* এক উকিয়া ৪০ দিরহাম পরিমান।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)

হাদিসে এটিও এসেছে যে, বারীরা আয়িশাকে জানিয়েছিল যে, ওয়ালার শর্ত তার মালিক পক্ষ ত্যাগ করবে না। এই কথা শুনে আয়িশা বারীরাকে আর কিনতে ইচ্ছুকই ছিলেন না। এর অর্থ হচ্ছে, আয়িশার দাস মুক্ত করার চাইতে দাসের ওয়ালা হওয়ার ব্যাপারেই আগ্রহ ছিল বেশি। এ থেকে বুঝতে সমস্যা হয় না যে, নবী ও তার সাহাবীগণ এই লোভেই দাস মুক্ত করতেন। নিচের হাদিসে এর প্রমাণ মেলে [5] [6]

সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৬/ শর্তাবলী
পরিচ্ছেদঃ ১৬৯৬. মু্ক্তি দেওয়া হবে এ শর্তে মুকাতাব বিক্রিত হতে রাযী হলে তার জন্য কি কি শর্ত জায়িয
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ২৫৪২, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ২৭২৬
২৫৪২। খাল্লাদ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুকাতাবা অবস্থায় বারীরা আমার কাছে এসে বলল, হে উম্মুল মুমিনীন! আপনি আমাকে খরীদ করুন। কারণ আমার মালিক আমাকে বিক্রি করে ফেলবে। তারপর আমাকে আযাদ করে দিন। তিনি বললেন, ’বেশ, বারীরা বলল, ’ওয়ালার অধিকার মালিকের থাকবে-এ শর্ত না রেখে তারা আমাকে বিক্রি করবে না।’ তিনি বললেন, তবে তোমাকে দিয়ে আমার প্রয়োজন নেই। পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শুনলেন। কিংবা (রাবীর বর্ণনা) তাঁর কাছে সে সংবাদ পৌছল। তখন তিনি বললেন, বারীরার ব্যাপারে কি? এবং বললেন, তাকে খরীদ কর। তারপর তাকে আযাদ করে দাও। তারা যত ইচ্ছা শর্ত আরোপ করুক। আয়িশা (রাঃ) বলেন, তারপর আমি তাকে খরীদ করলাম এবং আযাদ করে দিলাম। তার মালিক পক্ষ ওয়ালার শর্ত আরোপ করল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ওয়ালা তারই হবে, যে আযাদ করবে। তারা শত শর্তারোপ করলেও।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)

এবারে আসুন দেখে নিই, এই ওয়ালার অধিকার বা অভিভাবকত্ব আসলে কী [4]

1

সেইসাথে এই হাদিসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই কারণে যে, এই হাদিস থেকে জানা যাচ্ছে, বারীরার মালিকেরা আয়িশাকে বলে পাঠিয়েছিল, আয়িশা যদি শুধুমাত্র সওয়াবের আশায় বারীরাকে কিনে মুক্ত করতে চায়, তাহলে তারা রাজী আছে। কিন্তু ওয়ালার অধিকার চাইলে তারা রাজী নেই। কিন্তু এই প্রস্তাবে আয়িশা রাজী হয় নি, বরঞ্চ নবী নিজেই মুক্তিদাতাই যে ওয়ালার মালিক হবে, সেই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন [7] [8]

সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী)
২১। দাসমুক্তি
পরিচ্ছেদঃ ২. প্রকৃতপক্ষে মুক্তিদাতা পাবে মুক্তদাসের ওয়ালা পরিত্যক্ত সম্পদ
হাদিস একাডেমি নাম্বারঃ ৩৬৬৯, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ১৫০৪
৩৬৬৯-(৬/…) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) … আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরাহ (রাযিঃ) তার লিখিত মুক্তিপণ পরিশোধের ব্যাপারে সাহায্যের জন্য আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে এল। সে তার লিখিত মুক্তিপণের কিছুই আদায় করেনি। তখন আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে বললেনঃ তুমি তোমার মুনিবের কাছে ফিরে যাও। যদি তারা এ শর্তে রাযি হয় যে, আমি তোমার লিখিত মুক্তিপণের যাবতীয় পাওনা আদায় করলে তোমার ওয়ালা আমার প্রাপ্য হবে, তবে তা আমি করতে পারি। বারীরা তার মনিবদের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করল। কিন্তু তারা সে প্রস্তাব মেনে নিল না এবং বলে দিল, যদি তিনি সাওয়াবের আশায় তোমার লিখিত মুক্তিপণ আদায়ের দায়িত্ব নেন তাহলে নিতে পারেন, তবে তোমার ’ওয়ালা আমাদের জন্যই থাকবে। এরপর তিনি [“আয়িশাহ (রাযিঃ)] বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উঠালেন। তখন তিনি তাকে বললেনঃ তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দিতে পার, কেননা ওয়ালা মুক্তিদাতারই প্রাপ্য। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেনঃ লোকদের কী হয়েছে তারা এমন কিছু শর্তারোপ করে যা আল্লাহর কিতাবে নেই। যে ব্যক্তি এমন শর্তারোপ করবে যা আল্লাহর কিতাবে নেই- সে শর্তের কোন মূল্য নেই যদিও সে একশো বার শর্তারোপ করে। আল্লাহর শর্তই কেবল সঠিক ও নির্ভরযোগ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩৫, ইসলামিক সেন্টার ৩৬৩৫)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)

3

এবারে আসুন ইসলামের অত্যন্ত প্রখ্যাত একজন ইমাম, ইমাম কুদুরীর আল- মিসবাহুন নূরী শরহে মুখতাসারুল কুদুরী গ্রন্থ থেকে দেখে নিই, ওয়ালা কাকে বলে এবং ইসলামে দাস মুক্তির পরে ওয়ালার বিধান [9]

5

আসুন আরো একটি তথ্য দেখে নিই- যা থেকে বোঝা যায়, ইসলামের শরীয়া বিধান অনুসারে একজন মুক্ত দাস মুক্তি পাওয়ার পরেও আসলে সম্পূর্ণ মুক্ত নয়। তার মালিক আজীবনই তার মালিকই থাকে। কারণ সে চাইলেও অন্য কাউকে নিজের উত্তরাধিকার বা ওয়ালা বানাতে পারে না [10] [11]

সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী)
২১। দাসমুক্তি
পরিচ্ছেদঃ ৪. মুক্তদাসের জন্য তার মুক্তিদাতা ব্যতীত অন্য কাউকে ওয়ালার মালিক বানানো হারাম
হাদিস একাডেমি নাম্বারঃ ৩৬৮৩, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ১৫০৮
৩৬৮৩-(১৮/১৫০৮) কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ….. আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি (ক্রীতদাস) তার মুনিবের অনুমতি ছাড়া অন্য কাউকে মনিব বানাবে তার উপর আল্লাহর লা’নাত এবং তার ফেরেশতাদেরও লানাত। তার ফরয কিংবা নফল কিছুই (আল্লাহর কাছে) কবুল হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৪৯, ইসলামিক সেন্টার ৩৬৪৯)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)

7

About This Article

Genre: Semi-Academic Skeptical Analysis

Epistemic Position: Scientific Skepticism

This article belongs to the skeptical-rationalist analytical tradition of Shongshoy.com.

It applies historical criticism, empirical reasoning, logical analysis, and scientific skepticism in evaluating religious, philosophical, and historical claims.

The objective is not theological neutrality, but evidence-based critical examination and adversarial analysis of ideas and narratives.

This article should primarily be evaluated through: source quality, evidentiary strength, logical rigor, and factual consistency.


তথ্যসূত্রঃ
  1. মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস নম্বরঃ ৩৩৯৬ ↩︎
  2. সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিস নম্বরঃ ৩৬৩৮ ↩︎
  3. সহীহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিস নম্বরঃ ২০৩৪ ↩︎
  4. সহিহ মুসলিম শরীফ (প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যাসহ বঙ্গানুবাদ), মাকতাবাতুল হাদীছ প্রকাশনী, ১৪ তম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২২৬ 1 2
  5. সহীহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাদিস নম্বরঃ ২৫৪২ ↩︎
  6. সহীহ মুসলিম, ৪র্থ খণ্ড, হাদিস একাডেমী, পৃষ্ঠাঃ ১৬-১৭, হাদিস নম্বরঃ ৩৬৭১ ↩︎
  7. সহীহ মুসলিম, ৪র্থ খণ্ড, হাদিস একাডেমী, হাদিস নম্বরঃ ৩৬৬৯ ↩︎
  8. সহীহ মুসলিম, ৪র্থ খণ্ড, হাদিস একাডেমী, পৃষ্ঠাঃ ১৫ ↩︎
  9. আল- মিসবাহুন নূরী শরহে মুখতাসারুল কুদুরী, দ্বিতীয় খণ্ড, ইসলামিয়া কুতুবখানা, পৃষ্ঠা ১৬৪ ↩︎
  10. সহীহ মুসলিম, হাদিস একাডেমী, হাদিস নম্বরঃ ৩৬৮৩ ↩︎
  11. সহীহ মুসলিম, হাদিস একাডেমী, ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠাঃ ২০-২১, হাদিস নম্বরঃ ৩৬৭১ ↩︎