Taha
ত্বহা: 127
20 ত্বহা Taha · 135 আয়াত طه
আরবি
وَكَذَٰلِكَ نَجْزِى مَنْ أَسْرَفَ وَلَمْ يُؤْمِنۢ بِـَٔايَـٰتِ رَبِّهِۦ ۚ وَلَعَذَابُ ٱلْـَٔاخِرَةِ أَشَدُّ وَأَبْقَىٰٓ
English Translations
And thus do We recompense he who transgressed and did not believe in the signs of his Lord. And the punishment of the Hereafter is more severe and more enduring.
And thus do We requite him who transgresses beyond bounds [i.e. commits the great sins and disobeys his Lord (Allah) and believes not in His Messengers, and His revealed Books, like this Quran, etc.], and believes not in the Ayat (proofs, evidences, verses, lessons, signs, revelations, etc.) of his Lord, and the torment of the Hereafter is far more severe and more lasting.
Thus We recompense him who exceeds the limits and does not believe in the signs of his Lord. Certainly the punishment of the Hereafter is more severe and more lasting.
Thus do We requite him who transgresses and does not believe in the signs of your Lord (during the life of the world); and surely the punishment of the Hereafter is even more terrible and more enduring.
Thus do We reward him who is prodigal and believeth not the revelations of his Lord; and verily the doom of the Hereafter will be sterner and more lasting.
And thus do We recompense him who transgresses beyond bounds and believes not in the Signs of his Lord: and the Penalty of the Hereafter is far more grievous and more enduring.
বাংলা অনুবাদ
আমি এভাবেই প্রতিফল দেই তাদেরকে যারা সীমালঙ্ঘন করে এবং তার প্রতিপালকের নিদর্শনে বিশ্বাস করে না। আর আখিরাতের ‘আযাব অবশ্যই সবচেয়ে বেশী কঠিন ও সবচেয়ে বেশী স্থায়ী।
আর এভাবেই আমি প্রতিফল দান করি তাকে, যে বাড়াবাড়ি করে এবং তার রবের নিদর্শনাবলীতে ঈমান আনে না। আর আখিরাতের আযাব তো অবশ্যই কঠোরতর ও অধিকতর স্থায়ী।
এবং এভাবেই আমি প্রতিফল দিই তাকে, যে বাড়াবাড়ি করে এবং তার রবের নিদর্শনে বিশ্বাস স্থাপন করেনা; পরকালের শাস্তিতো অবশ্যই কঠিনতর ও অধিক স্থায়ী।
আর এভাবেই আমরা প্রতিফল দেই তাকে যে বাড়াবাড়ি করে ও তার রবের নিদর্শনে ঈমান না আনে। আর আখেরাতের শাস্তি তো অবশ্যই কঠিনতর ও অধিক স্থায়ী।
এবং এভাবেই আমি প্রতিফল দেই তাকে, যে বাড়াবাড়ি করে ও তার প্রতিপালকের নিদর্শনে বিশ্বাস স্থাপন করে না। আখিরাতের শাস্তি অবশ্যই কঠিনতর ও অধিক স্থায়ী।
১২৭. এ প্রতিদানের ন্যায় আমি ওকেও প্রতিদান দেবো যে চাহিদা নিবারণে হারাম কাজে মগ্ন এবং তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আসা সুস্পষ্ট দলীলসমূহের উপর ঈমান আনা থেকে সে বিরত রয়েছে। বস্তুতঃ দুনিয়া ও বরযখের কঠিন জীবনের চেয়েও আখিরাতের আল্লাহর আযাব অনেক ভয়ঙ্কর, শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী।
তাফসীর
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ যারা আল্লাহর সীমারেখার পরওয়া করে না এবং তার নিদর্শনাবলীকে মিথ্যা প্রতিপাদন করে তাকে আমি এভাবেই প্রতিফল দিয়ে থাকি। অর্থাৎ দুনিয়া ও আখেরাতের আযাবে জড়িয়ে থাকি। বিশেষ করে আখেরাতের শাস্তি তো খুবই কঠিন এবং সেখানে এমন কেউ হবে না যে তাদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারে। দুনিয়ার শাস্তি কঠোরতা ও দীর্ঘ মিয়াদী হিসেবে আখেরাতের শাস্তির সাথে তুলনীয় হতে পারে না। আখেরাতের শাস্তি চিরস্থায়ী ও অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক। পরস্পর পরস্পরের উপর লা’নতকারীদের বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছিলেনঃ “আখেরাতের শাস্তির তুলনায় দুনিয়ার শাস্তি খুবই হালকা ও অতি নগন্য।
আর এভাবেই আমরা প্রতিফল দেই তাকে যে বাড়াবাড়ি করে ও তার রব এর নিদর্শনে ঈমান না আনে [১]। আর আখেরাতের শাস্তি তো অবশ্যই কঠিনতর ও অধিক স্থায়ী।
[১] এখানে আল্লাহ “যিকির” অর্থাৎ তাঁর কিতাব ও তাঁর প্রেরিত উপদেশমালা থেকে যারা মুখ ফিরিয়ে নেয়। তাদের দুনিয়ায় যে “অতৃপ্ত জীবন” যাপন করানো হয় সেদিকে ইশারা করা হয়েছে। অর্থাৎ এভাবেই যারা আল্লাহর আয়াতসমূহের উপর মিথ্যারোপ ‘করে আমরা তাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে প্রতিফল দিয়ে থাকি। “তাদের জন্য দুনিয়ার জীবনে আছে শাস্তি এবং আখিরাতের শাস্তি তো আরো কঠোর! আর আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করার মত তাদের কেউ নেই। ” [সূরা আর-রা'দ: ৩৪] [ইবন কাসীর]
