Ali 'Imran
আলে ইমরান: 197
3 আলে ইমরান Ali 'Imran · 200 আয়াত آل عمران
মূল আরবি
مَتَـٰعٌ قَلِيلٌ ثُمَّ مَأْوَىٰهُمْ جَهَنَّمُ ۚ وَبِئْسَ ٱلْمِهَادُ
English Translations
[It is but] a small enjoyment; then their [final] refuge is Hell, and wretched is the resting place.
A brief enjoyment; then, their ultimate abode is Hell; and worst indeed is that place for rest.
It is just a little enjoyment. After that, their resort is Hell; and it is an evil abode.
This is but a little enjoyment, then their destination is Hell -what an evil resting place!
It is but a brief comfort. And afterward their habitation will be hell, an ill abode.
Little is it for enjoyment: Their ultimate abode is Hell: what an evil bed (To lie on)!
বাংলা অনুবাদ
সামান্য ভোগ, তারপর জাহান্নাম তাদের আবাস, আর তা কতই না নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল!
এসব অল্প ভোগ্যসামগ্রী। এরপর তাদের আশ্রয়স্থল জাহান্নাম; আর তা কতইনা মন্দ বিছানা!
এটা মাত্র কয়েকদিনের সম্ভোগ; অনন্তর তাদের অবস্থান জাহান্নাম এবং ওটা নিকৃষ্ট স্থান।
এ তো স্বল্পকালীন ভোগ মাত্র; তারপর জাহান্নাম তাদের আবাস; আর এটা কত নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল!
এসব মাত্র কয়েকদিনের সম্ভোগ; অতঃপর তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম এবং তা কতইনা নিকৃষ্ট স্থান!
১৯৭. বস্তুতঃ এ দুনিয়াটি হলো সামান্য সময়ের সুখ-সম্ভোগ। যার কোন স্থায়িত্ব নেই। এরপর কিয়ামতের দিন তাদের গন্তব্য হবে জাহান্নাম। বস্তুতঃ জাহান্নাম কতোই না নিকৃষ্ট বাসস্থান।
তাফসীর
3:196
এ তো স্বল্পকালীন ভোগ মাত্র; তারপর জাহান্নাম তাদের আবাস; আর ওটা কত নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল!
[সূরা আল-ইমরান (৩): আয়াত ১৯০ থেকে ২০০] পূর্ণ পৃষ্ঠা
[সূরা আল-ইমরান (৩): আয়াত ১৯০ থেকে ২০০]নিশ্চয়ই আসমান ও যমীনের সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের পরিবর্তনের মধ্যে বিবেকসম্পন্নদের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে। (১৯০) যারা দাঁড়িয়ে, বসে এবং পার্শ্বশয়ান অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আসমান ও যমীনের সৃষ্টি সম্পর্কে চিন্তা-গবেষণা করে (এবং বলে), ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি এসব নিরর্থক সৃষ্টি করেননি। আপনি অত্যন্ত পবিত্র, সুতরাং আমাদের আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।’ (১৯১) ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি যাকে আগুনে নিক্ষেপ করবেন, তাকে তো আপনি লাঞ্ছিতই করলেন; আর যালেমদের জন্য কোনো সাহায্যকারী নেই।’ (১৯২) ‘হে আমাদের প্রতিপালক!
আমরা এক আহ্বানকারীকে ঈমানের দিকে আহ্বান করতে শুনেছি যে, ‘তোমাদের প্রতিপালকের ওপর ঈমান আনো’; ফলে আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন, আমাদের মন্দ কাজগুলো আমাদের থেকে মুছে দিন এবং নেককারদের সাথে আমাদের মৃত্যু দান করুন।’ (১৯৩) ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার রাসূলদের মাধ্যমে আমাদের কাছে যা ওয়াদা করেছেন তা আমাদের দান করুন এবং কিয়ামতের দিন আমাদের লাঞ্ছিত করবেন না। নিশ্চয়ই আপনি ওয়াদা খেলাফ করেন না।’ (১৯৪)অতঃপর তাদের প্রতিপালক তাদের ডাকে সাড়া দিলেন (এই বলে) যে, ‘আমি তোমাদের মধ্য থেকে কোনো আমলকারীর আমলই নষ্ট করি না, সে পুরুষ হোক বা নারী; তোমরা একে অপরের অংশ।
সুতরাং যারা হিজরত করেছে, নিজ ঘরবাড়ি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে, আমার পথে নির্যাতিত হয়েছে এবং লড়াই করেছে ও নিহত হয়েছে, আমি অবশ্যই তাদের মন্দ কাজগুলো মুছে দেব এবং অবশ্যই তাদের এমন জান্নাতে প্রবেশ করাব যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রতিদান; আর আল্লাহর কাছেই রয়েছে সর্বোত্তম প্রতিদান।’ (১৯৫) দেশ-বিদেশে কাফেরদের অবাধ বিচরণ যেন তোমাকে বিভ্রান্ত না করে। (১৯৬) এ তো নগণ্য ভোগসামগ্রী মাত্র; অতঃপর তাদের আবাসস্থল হবে জাহান্নাম, আর তা কতই না নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল! (১৯৭) কিন্তু যারা তাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে এমন জান্নাত যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে।
এ হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আতিথেয়তা; আর নেককারদের জন্য আল্লাহর কাছে যা রয়েছে তা-ই সর্বোত্তম। (১৯৮) আর আহলে কিতাবদের মধ্যে কেউ কেউ এমনও রয়েছে যারা আল্লাহর ওপর ঈমান আনে এবং যা তোমাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে ও যা তাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে তার ওপরও ঈমান আনে, আল্লাহর সামনে বিনত হয়ে। তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে সামান্য মূল্যে বিক্রয় করে না। তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে পুরস্কার রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। (১৯৯)হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ করো, ধৈর্যের প্রতিযোগিতায় জয়ী হও, (সীমান্তে) পাহারায় নিয়োজিত থাকো এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।
(২০০)
