An-Nisa
আন-নিসা: 20
4 আন-নিসা An-Nisa · 176 আয়াত النساء
আরবি
وَإِنْ أَرَدتُّمُ ٱسْتِبْدَالَ زَوْجٍ مَّكَانَ زَوْجٍ وَءَاتَيْتُمْ إِحْدَىٰهُنَّ قِنطَارًا فَلَا تَأْخُذُوا۟ مِنْهُ شَيْـًٔا ۚ أَتَأْخُذُونَهُۥ بُهْتَـٰنًا وَإِثْمًا مُّبِينًا
English Translations
But if you want to replace one wife with another and you have given one of them a great amount [in gifts], do not take [back] from it anything. Would you take it in injustice and manifest sin?
But if you intend to replace a wife by another and you have given one of them a Cantar (of gold i.e. a great amount) as Mahr, take not the least bit of it back; would you take it wrongfully without a right and (with) a manifest sin?
If you want to take a wife in place of the one (you have), and you have given her plenty of wealth, then do not take any of it back. Would you take it through imputation and open sin?
And if you decide to dispense with a wife in order to take another, do not take away anything of what you might have given the first one, even if you had given her a heap of gold. Would you take it back by slandering her and committing a manifest wrong?
And if ye wish to exchange one wife for another and ye have given unto one of them a sum of money (however great), take nothing from it. Would ye take it by the way of calumny and open wrong?
But if ye decide to take one wife in place of another, even if ye had given the latter a whole treasure for dower, Take not the least bit of it back: Would ye take it by slander and manifest wrong?
বাংলা অনুবাদ
যদি তোমরা এক স্ত্রী বদলিয়ে তদস্থলে অন্য স্ত্রী গ্রহণের ইচ্ছে কর এবং তাদের একজনকে অগাধ সম্পদও দিয়ে থাক, তবুও তাত্থেকে কিছুই ফিরিয়ে নিও না। তোমরা কি (স্ত্রীর নামে) মিথ্যে দুর্নাম রটিয়ে সুস্পষ্ট গুনাহ করে তা ফেরত নেবে?
আর যদি তোমরা এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রীকে বদলাতে চাও আর তাদের কাউকে তোমরা প্রদান করেছ প্রচুর সম্পদ, তবে তোমরা তা থেকে কোন কিছু নিও না। তোমরা কি তা নেবে অপবাদ এবং প্রকাশ্য গুনাহের মাধ্যমে?
আর যদি তোমরা এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী পরিবর্তন করতে ইচ্ছা কর এবং তাদের একজনকে প্রচুর ধন-সম্পদ প্রদান করে থাক তাহলে তোমরা তন্মধ্য হতে কিছুই প্রতিগ্রহণ করনা; তাহলে কি তোমরা অপবাদ প্রয়োগ এবং প্রকাশ্য পাপ করে সেটা গ্রহণ করবে?
আর তোমরা যদি এক স্ত্রীর জায়গায় অন্য স্ত্রী গ্রহণ করা স্থির কর এবং তাদের একজনকে অনেক অর্থও দিয়ে থাক, তবুও তা থেকে কিছুই ফেরত নিও না। তোমরা কি মিথ্যা অপবাদ এবং প্রকাশ্য পাপাচরণ দ্বারা তা গ্রহণ করবে?
আর যদি তোমরা এক স্ত্রীর পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করতে চাও আর তাদের কাউকে অঢেল সম্পদ দিয়ে থাক তবে তাত্থেকে কিছুই গ্রহণ করবে না। তোমরা কি অপবাদ ও প্রকাশ্যে পাপাচারের মাধ্যেমে তা গ্রহণ করতে চাও।
২০. হে স্বামীরা! যদি তোমরা নিজেদের স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে চাও তাহলে তাতে তোমাদের কোন অসুবিধে নেই। তবে যদি তোমরা যার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ তাকে ইতোপূর্বে প্রচুর সম্পদ মোহরানা হিসেবে দিয়ে থাকো তারপরও তা থেকে কোন কিছু ফেরত নেয়া তোমাদের জন্য জায়িয হবে না। কারণ, তোমাদের দেয়া কোন কিছু পুনরায় গ্রহণ করা তোমাদের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট অপবাদ এবং প্রকাশ্য পাপ হিসেবেই পরিগণিত।
তাফসীর
4:19
আর তোমরা যদি এক স্ত্রীর জায়গায় অন্য স্ত্রী গ্রহণ করা স্থির কর এবং তাদের একজনকে অনেক অর্থও [১] দিয়ে থাক, তবুও তা থেকে কিছুই ফেরত নিও না। তোমরা কি মিথ্যা অপবাদ এবং প্রকাশ্য পাপাচরণ দ্বারা তা গ্রহণ করবে?
[১] এ আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, মাহ্র হিসাবে অনেক সম্পদ দেয়াও জায়েয। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বেশী পরিমাণে মাহ্র দিতে নিষেধ করতেন। তিনি বলতেনঃ তোমরা মহিলাদের মাহ্র নির্ধারণে সীমালংঘন করো না। কেননা, এটা যদি দুনিয়াতে সম্মানের ব্যাপার হত অথবা আল্লাহর নিকট তাকওয়ার বিষয় হত, তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামই এ কাজের সবেচেয়ে বেশী উপযুক্ত ছিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বার উকিয়ার বেশী তার কোন স্ত্রীকেও দেননি এবং কন্যাদের জন্যও গ্রহণ করেন নি। এমনকি কখনো কখনো মানুষ স্ত্রীর মাহ্র দিতে গিয়ে নিজেই নিজের শক্র হয়ে দাঁড়ায়। [আবু দাউদঃ ২১০৬, তিরমিযীঃ ১১১৪]
