An-Nisa

আন-নিসা: 53

4:53

আরবি

أَمْ لَهُمْ نَصِيبٌ مِّنَ ٱلْمُلْكِ فَإِذًا لَّا يُؤْتُونَ ٱلنَّاسَ نَقِيرًا

English Translations

Sahih International

Or have they a share of dominion? Then [if that were so], they would not give the people [even as much as] the speck on a date seed.

Muhsin Khan

Or have they a share in the dominion? Then in that case they would not give mankind even a Naqira (speck on the back of a date-stone).

Taqi Usmani

Is it that they have a share in the kingdom? If so, they would give nothing to the people, not even to the measure of a tiny pit on the back of a date-stone?

Abul Ala Maududi

Have they any share in the dominion (of Allah)? Had that been so, they would never have granted people even as much as the speck on a date-stone.

Pickthall

Or have they even a share in the Sovereignty? Then in that case, they would not give mankind even the speck on a date-stone.

Yusuf Ali

Have they a share in dominion or power? Behold, they give not a farthing to their fellow-men?

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

তাদের কি শাসন ক্ষমতায় কোন অংশ আছে? তা থাকলে তারা লোকেদেরকে তিল পরিমাণও দিত না।

রাওয়াই আল-বায়ান

তবে কি তাদের জন্য রাজত্বে কোন অংশ আছে? তাহলে তখনতো তারা মানুষকে খেজুরবীচির উপরের আবরণ পরিমাণও কিছু দেবে না।

শাইখ মুজিবুর রহমান

তাহলে কি রাজত্বে তাদের কোন অংশ রয়েছে? বস্তুতঃ তখন তারা লোকদেরকে কণা পরিমাণও প্রদান করবেনা।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

তবে কি রাজশক্তিতে তাদের কোনো অংশ আছে? সে ক্ষেত্রেও তো তারা কাউকে এক কপর্দকও দেবে না।

ফাতহুল মাজীদ

তাদের কি রাজত্বে কোন অংশ আছে? যদি তাদের কোন অংশ থাকত তাহলে লোকেদের তিল পরিমাণও দিত না।

মুখতাসার

৫৩. মালিকানায় তাদের কোন অংশীদারিত্ব নেই। যদি তারা এমন কিছুর মালিক হতো তাহলে তারা কাউকেই কোন কিছু দিতো না। যদিও তা খেজুরের দানার পিঠের বিন্দু সমপরিমাণ হোক না কেন।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

৫৩-৫৫ নং আয়াতের তাফসীর: এখানে অস্বীকৃতি সূচক ভাষায় আল্লাহ পাক প্রশ্ন করেছেনঃ তারা কি রাজত্বের কোন অংশের মালিক?' অর্থাৎ তারা মালিক নয়। অতঃপর তাদের কার্পণ্যের বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যে, যদি এরূপ হতো তবে তারা কারো কোন উপকার করতো না। বিশেষ করে তারা আল্লাহ তা'আলার শেষ নবী (সঃ)-কে এতটুকুও দিত না যতটুকু খেজুরের আঁটির মধ্যস্থলে পর্দা থাকে। যেমন অন্য আয়াতে আছে (আরবী) অর্থাৎ ‘তুমি বল-যদি তোমরা আমার প্রভুর করুণা ভাণ্ডারের অধিকারী হতে তবে তোমরা খরচ হয়ে যাবার ভয়ে (খরচ করা হতে)সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকতে।' (১৭:১০০) এটা স্পষ্ট কথা যে, এতে সম্পদ কমে যেতে পারে না, তথাপি কৃপণতা তোমাদেরকে ভয় দেখিয়ে থাকে। এজন্যেই আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, মানুষ বড়ই কৃপণ। তাদের কার্পণ্যের বর্ণনা দেয়ার পর তাদের হিংসার বর্ণনা দেয়া হচ্ছে- আল্লাহ স্বীয় নবী (সঃ)-কে যে বড় নবুওয়াত দান করেছেন এবং তিনি যেহেতু আরবের অন্তর্ভুক্ত, বানী ইসরাঈলের অন্তর্ভুক্ত নন সেহেতু তারা হিংসায় জ্বলে যাচ্ছে ও জনগণকে তার সত্যতা স্বীকার করা হতে বিরত রাখছে।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ এখানে (আরবী)-এর ভাবার্থ হচ্ছে আমরা, অন্য কেউ নয়। আল্লাহ তাআলা বলেন-“আমি ইবরাহীমের বংশধরকে নবুওয়াত দিয়েছিলাম যারা ছিল বানী ইসরাঈল গোত্র এবং হযরত ইবরাহীমের সন্তানদেরই অন্তর্ভুক্ত। আমি তাদের উপর গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছি, রীতি-নীতি শিক্ষা দিয়েছি এবং রাজত্বও দান করেছি। তথাপি তাদের মধ্যে অনেক মুমিন থাকলেও অনেক কাফিরও ছিল। তারা নবী ও কিতাবকে মেনে নেয়নি। নিজেরা ততা স্বীকার করেইনি, এমনকি অন্যদেরকেও বিরত রেখেছিল। অথচ ঐ সব নবী (আঃ) বানী ইসরাঈল ছিল। কাজেই তারা যখন নিজেদের নবীদেরকেই অস্বীকার করেছে তখন হে মুহাম্মাদ (সঃ)! তারা তোমাকে যে অস্বীকার করবে এতে আর বিস্ময়ের কি আছে? কারণ তুমি তো তাদের মধ্য হতে নও।'আবার ভাবার্থ এও হতে পারে যে, তাদের মধ্যে কতক লোক শেষ নবী (সঃ)-এর উপর ঈমান এনেছিল এবং কতক লোক ঈমান আনেনি। সুতরাং এ কাফিরেরা তাদের কুফরীর উপর খুবই দৃঢ় রয়েছে এবং সুপথ হতে বহু দূরে সরে পড়েছে।অতঃপর তাদেরকে তাদের শাস্তির কথা শোনানো হচ্ছে যে, জাহান্নামের আগুনে দগ্ধীভূত হওয়াই তাদের জন্য যথেষ্ট। তাদের অস্বীকৃতি, অবাধ্যতা, মিথ্যা প্রতিপাদন ও বিরোধিতার এ শাস্তিই যথেষ্ট।

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

তবে কি রাজশক্তিতে তাদের কোন অংশ আছে? সে ক্ষেত্রেও তো তারা কাউকে এক কপর্দকও দেবে না [১]।

[১] ইবনে আব্বাস বলেন, খেজুরের দানার উপরে বিন্দুর মত যে ছিদ্র থাকে তাকেই আরবীতে (نقير) ‘নাকীর’ বলা হয়। [তাবারী] মোটকথা: সামান্যতম জিনিস বোঝানোর জন্যই এ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।