An-Nisa
আন-নিসা: 75
4 আন-নিসা An-Nisa · 176 আয়াত النساء
মূল আরবি
وَمَا لَكُمْ لَا تُقَـٰتِلُونَ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَٱلْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ ٱلرِّجَالِ وَٱلنِّسَآءِ وَٱلْوِلْدَٰنِ ٱلَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَآ أَخْرِجْنَا مِنْ هَـٰذِهِ ٱلْقَرْيَةِ ٱلظَّالِمِ أَهْلُهَا وَٱجْعَل لَّنَا مِن لَّدُنكَ وَلِيًّا وَٱجْعَل لَّنَا مِن لَّدُنكَ نَصِيرًا
English Translations
And what is [the matter] with you that you fight not in the cause of Allāh and [for] the oppressed among men, women and children who say, "Our Lord, take us out of this city of oppressive people and appoint for us from Yourself a protector and appoint for us from Yourself a helper"?
And what is wrong with you that you fight not in the Cause of Allah, and for those weak, ill-treated and oppressed among men, women, and children, whose cry is: "Our Lord! Rescue us from this town whose people are oppressors; and raise for us from You one who will protect, and raise for us from You one who will help."
What has happened to you that you do not fight in the way of Allah, and for the oppressed among men, women and children who say, “Our Lord, take us out from this town whose people are cruel, and make for us a supporter from Your own, and make for us a helper from Your own.”
How is it that you do not fight in the way of Allah and in support of the helpless - men, women and children -who pray: 'Our Lord, bring us out of this land whose people are oppressors and appoint for us from Yourself, a protector, and appoint for us from Yourself a helper'? .
How should ye not fight for the cause of Allah and of the feeble among men and of the women and the children who are crying: Our Lord! Bring us forth from out this town of which the people are oppressors! Oh, give us from thy presence some protecting friend! Oh, give us from Thy presence some defender!
And why should ye not fight in the cause of Allah and of those who, being weak, are ill-treated (and oppressed)?- Men, women, and children, whose cry is: "Our Lord! Rescue us from this town, whose people are oppressors; and raise for us from thee one who will protect; and raise for us from thee one who will help!"
বাংলা অনুবাদ
তোমাদের কী হয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর পথে এবং অসহায় নারী-পুরুষ আর শিশুদের (রক্ষার) জন্য লড়াই করবে না, যারা দু‘আ করছে- ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এ যালিম অধ্যূষিত জনপথ হতে মুক্তি দাও, তোমার পক্ষ হতে কাউকেও আমাদের বন্ধু বানিয়ে দাও এবং তোমার পক্ষ হতে কাউকেও আমাদের সাহায্যকারী করে দাও।’
আর তোমাদের কী হল যে, তোমরা আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করছ না! অথচ দুর্বল পুরুষ, নারী ও শিশুরা বলছে, ‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে বের করুন এ জনপদ থেকে যার অধিবাসীরা যালিম এবং আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে একজন অভিভাবক নির্ধারণ করুন। আর নির্ধারণ করুন আপনার পক্ষ থেকে একজন সাহায্যকারী।’
তোমাদের কি হয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করছনা? অথচ নারী, পুরুষ এবং শিশুদের মধ্যে যারা দুর্বল তারা বলেঃ হে আমাদের রাব্ব! আমাদেরকে অত্যাচারী এই নগর হতে নিস্কৃতি দিন এবং স্বীয় সন্নিধান হতে আমাদের পৃষ্ঠপোষক ও নিজের নিকট হতে আমাদের জন্য সাহায্যকারী প্রেরণ করুন।
আর তোমাদের কি হল যে, তোমরা যুদ্ধ করবে না আল্লাহর পথে এবং অসহায় নরনারী এবং শিশুদের জন্য, যারা বলে, ‘হে আমাদের রব! এ জনপদ... যার অধিবাসী যালিম তা... থেকে আমাদেরকে বের করুন; আর আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে কাউকে অভিভাবক করুন এবং আপনার পক্ষ থেকে কাউকে আমাদের সহায় করুন।’
তোমাদের কী হল যে, তোমরা আল্লাহর পথে এবং অসহায় নর-নারী এবং শিশুদের (উদ্ধারের) জন্য যুদ্ধ করছ না? যারা বলে. ‘হে আমাদের প্রতিপালক! এ জালিম অধিবাসী জনপদ হতে আমাদেরকে অন্যত্র নিয়ে যান; আপনার নিকট হতে কাউকেও আমাদের অভিভাবক করুন এবং আপনার নিকট হতে কাউকে দ্বারা আমাদের সহায় করুন।’
৭৫. হে মু’মিনরা! আল্লাহর বাণীকে সুউচ্চ করতে এবং নিরুপায় পুরুষ, মহিলা ও বাচ্চাদেরকে রক্ষা করার জন্য তাঁর পথে যুদ্ধ করায় তোমাদের বাধা কোথায়। যারা আল্লাহকে ডেকে বলে: হে আমাদের রব্ব! আপনি আমাদেরকে মক্কা থেকে বের করে নিন। কারণ, এর অধিবাসীরা আল্লাহর সাথে শিরক করে এবং তাঁর বান্দাদের উপর অত্যাচার করে। আর আপনি নিজ পক্ষ থেকে আমাদের জন্য এমন ব্যক্তি নিযুক্ত করুন যে আমাদের ব্যাপারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করবে। এমন সাহায্যকারী নিযুক্ত করুন যে আমাদের উপর থেকে ক্ষতির প্রতিরোধ করবে।
তাফসীর
৭৫-৭৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা মুমিনদেরকে তাঁর পথে জিহাদের জন্য উদ্বুদ্ধ করছেন। তিনি তাদেরকে বলছেন- ‘গুটি কয়েক দুর্বল ও অসহায় লোক মক্কায় রয়েগেছে। যাদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছে। মক্কায় অবস্থান তাদের জন্যে অসহনীয় হয়ে উঠেছে। তাদের উপর কাফিরেরা নানা প্রকার উৎপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং তোমরা তাদেরকে মুক্ত করে আন। তারা আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রার্থনা জানাচ্ছে- “হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনি এ অত্যাচারীদের গ্রাম হতে অর্থাৎ মক্কা হতে বহির্গত করুন। মক্কাকে নিম্নের আয়াতেও গ্রাম বলা হয়েছে- (আরবী) অর্থাৎ ‘বহু গ্রাম তোমার ঐ গ্রাম অপেক্ষা বেশী শক্তিশালী ছিল যে গ্রাম অর্থাৎ গ্রামবাসী তোমাকে বের করে দিয়েছে।'(৪৭:১৩) ঐ দুর্বল লোকেরা মক্কার কাফিরদের অত্যাচারের অভিযোগ পেশ করছে এবং সাথে সাথে স্বীয় প্রার্থনায় বলছে- “হে আমাদের প্রভু!
আপনার পক্ষ হতে আপনি আমাদের জন্যে পৃষ্ঠপোষক ও সাহায্যকারী নির্বাচন করুন। সহীহ বুখারী শরীফে হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি এবং আমার আম্মাও ঐ দুর্বলদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। অন্য বর্ণনায় রয়েছে যে, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (আরবী)-এ অংশটুকু পাঠ করে বলেন, 'আমি ও আমার আম্মা ঐ লোকদের অন্তর্গত ছিলাম যাদেরকে আল্লাহ তাআলা দুর্বল ও অসহায় করে রেখেছিলেন।এরপর আল্লাহ পাক বলেনঃ ‘মুমিনগণ আল্লাহ তা'আলার আদেশ পালন ও তাঁর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করে থাকে। পক্ষান্তরে কাফিরেরা শয়তানের আনুগত্যের উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করে।
সুতরাং মুসলমানদের উচিত যে, তারা যেন আল্লাহ তা'আলার শত্রু ও শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে প্রাণপণে যুদ্ধ করে এবং বিশ্বাস রাখে যে, শয়তানের কলাকৌশল সম্পূর্ণরূপে বৃথায় পর্যবসিত হবে।
আর তোমাদের কি হল যে, তোমরা যুদ্ধ করবে না আল্লাহর পথে এবং অসহায় নরনারী [১] এবং শিশুদের জন্য, যারা বলে, ‘হে আমাদের রব! এ জনপদ - - -যার অধিবাসী যালিম, তা- - -থেকে আমাদেরকে বের করুন; আর আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে কাউকে অভিভাবক করুন এবং আপনার পক্ষ থেকে কাউকে আমাদের সহায় করুন।’
[১] মক্কা নগরীতে এমন কিছু দুর্বল মুসলিম রয়ে গিয়েছিলেন, যারা দৈহিক দুর্বলতা এবং আর্থিক দৈন্যের কারণে হিজরত করতে পারছিলেন না। পরে কাফেররাও তাদেরকে হিজরত করতে বাঁধাদান করেছিল এবং বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতে আরম্ভ করেছিল, যাতে তারা ইসলাম ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। যেমন ইবন আব্বাস ও তাঁর মাতা, সালামা ইবন হিশাম, ওলীদ ইবন ওলীদ, আবু জান্দাল ইবন সাহল্ প্রমূখ। এসব সাহাবী নিজেদের ঈমানী বলিষ্ঠতার দরুন কাফেরদের অসহনীয় উৎপীড়ন সহ্য করেও ঈমানের উপর স্থির থাকেন। অবশ্য তাঁরা এসব অত্যাচার উৎপীড়ন থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য বরাবরই আল্লাহ্ রাব্বুল ‘আলামীনের দরবারে দো’আ করতে থাকেন।
শেষ পর্যন্ত আল্লাহ্ তা’আলা তাঁদের সে প্রার্থনা মঞ্জুর করে নেন এবং মুসলিমদেরকে নির্দেশ দেন যাতে তাঁরা জিহাদের মাধ্যমে সেই নিপীড়িতদেরকে কাফেরদের অত্যাচার থেকে মুক্ত করেন। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, ‘আমি ও আমার মা অসহায়দের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম’ [বুখারী ৪৫৮৭]
এ আয়াতে মুমিনরা আল্লাহ তা’আলার দরবারে দুটি বিষয়ে দোআ করেছিলেন। একটি হলো এই যে, আমাদিগকে এই(মক্কা) নগরী থেকে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করুন এবং দ্বিতীয়টি হলো, আমাদের জন্য কোন সহায় বা সাহায্যকারী পাঠান। আল্লাহ তাদের দু’টি প্রার্থনাই কবুল করে নিয়েছিলেন। তা এভাবে যে, কিছু লোককে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন, যাতে তাঁদের প্রথম প্রার্থনাটি পূরণ হয়েছিল। অবশ্য কোন কোন লোক সেখানেই রয়ে যান এবং বিজয়ের পর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আত্তাব ইবন উসায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে সেসব লোকের মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করেন।
অতঃপর তিনি এসব উৎপীড়িতদেরকে অত্যাচারীদের উৎপীড়ন-অত্যাচার থেকে মুক্ত করেন। আর এভাবেই পূর্ণ হয় তাদের দ্বিতীয় প্রার্থনাটি। আয়াতে বলা হয়েছে যে, জিহাদের নির্দেশ দানের পিছনে একটি কারণ ছিল সে সমস্ত অসহায় দুর্বল নারী-পুরুষের প্রার্থনা। মুসলিমগণকে জিহাদ করার নির্দেশ দানের মাধ্যমে সে প্রার্থনা মঞ্জুরীর কথাই ঘোষণা করা হয়েছে।
[সূরা আন-নিসা (৪): আয়াত ৭৫] পূর্ণ পৃষ্ঠা
আল্লাহর পথে (জিহাদ করে) এবং যুদ্ধলব্ধ সম্পদ লাভ করে, তবে তারা তাদের আখেরাতের সওয়াবের দুই-তৃতীয়াংশ দুনিয়াতেই দ্রুত পেয়ে গেল এবং তাদের জন্য মাত্র এক-তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট রইল। আর যদি তারা কোনো যুদ্ধলব্ধ সম্পদ লাভ না করে, তবে তাদের সওয়াব পূর্ণাঙ্গ হলো। অতঃপর তাঁর উক্তি: "(সে সওয়াব বা যুদ্ধলব্ধ সম্পদ যা-ই লাভ করুক)" এটি দাবি করে যে, মুজাহিদদের মধ্যে যারা শহীদ হতে চান তাদের জন্য দুটির একটি ঘটবে—হয় সওয়াব যদি যুদ্ধলব্ধ সম্পদ না পান, অথবা কেবল যুদ্ধলব্ধ সম্পদ (এবং সওয়াব নয়); যা আবদুল্লাহ বিন আমরের হাদীসের বিপরীত। এ কারণে একদল বলেছেন: আবদুল্লাহ বিন আমরের হাদীসটি গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এর বর্ণনাসূত্রে হুমাইদ বিন হানি রয়েছেন যিনি প্রসিদ্ধ নন।
তারা প্রথম হাদীসটিকে এর ওপর প্রাধান্য দিয়েছেন তার প্রসিদ্ধির কারণে। অন্য একদল বলেছেন: এই দুই হাদীসের মধ্যে কোনো বৈপরীত্য বা বিরোধ নেই। আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদীসে 'বা' (অথবা) শব্দটি 'এবং' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমনটি কুফাবাসী ভাষাবিদগণ বলেন। আবু দাউদের বর্ণনাও এর সপক্ষে প্রমাণ দেয়, কেননা সেখানে 'সওয়াব ও যুদ্ধলব্ধ সম্পদ'—উভয়টিকে 'এবং' দ্বারা যুক্ত করা হয়েছে। মুসলিমের কোনো কোনো বর্ণনাকারীও এটি 'এবং' যোগে বর্ণনা করেছেন। আর হুমাইদ বিন হানি একজন মিশরীয় বর্ণনাকারী, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-হুবালী ও আমর বিন মালিক থেকে শুনেছেন, এবং তাঁর থেকে হাইওয়াহ বিন শুরাইহ ও ইবনুল ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন।
সুতরাং প্রথম হাদীসটি জিহাদে কেবল নিয়্যাত ও ইখলাসের ওপর প্রয়োগ করা হবে, যার জন্য আল্লাহ তাআলা গ্যারান্টি দিয়েছেন যে, হয় তাকে শাহাদাত দান করবেন অথবা তাকে সওয়াব ও যুদ্ধলব্ধ সম্পদসহ সসম্মানে তার পরিবারে ফিরিয়ে দেবেন। আর দ্বিতীয় হাদীসটি সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে যখন কেউ জিহাদের নিয়্যাত করবে কিন্তু সাথে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ লাভের ইচ্ছাও থাকবে; ফলে যখন তার নিয়্যাত বিভক্ত হয়ে গেল, তখন তার সওয়াবও হ্রাস পেল। সুন্নাহর দলিল অনুযায়ী গনীমত লাভকারীর জন্যও সওয়াব রয়েছে, যেমনটি পবিত্র কুরআনও নির্দেশ করে, তাই এখানে কোনো বৈপরীত্য নেই।
অতঃপর বলা হয়েছে: যুদ্ধলব্ধ সম্পদ লাভকারীর সওয়াব কমে যাওয়া কেবল একারণে যে, আল্লাহ তার জন্য দুনিয়ার যা কিছু উন্মুক্ত করে দিয়েছেন সে তা ভোগ করেছে এবং এর মাধ্যমে তার জীবনের কঠোরতা দূর হয়েছে। আর যে ব্যক্তি কিছুই লাভ করতে পারল না, সে তার জীবনের কঠোরতা ও ধৈর্য ধারণের ওপর অটল থাকল, ফলে তার সওয়াব পূর্ণাঙ্গরূপে সংরক্ষিত রইল—প্রথম ব্যক্তির বিপরীত। এর দৃষ্টান্ত হলো অন্য হাদীসে বর্ণিত রাসূলুল্লাহর (সা.) বাণী: "আমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তি রয়েছেন যিনি মৃত্যুবরণ করেছেন অথচ তার সওয়াবের কিছুই (দুনিয়াতে) ভোগ করেননি—তাদের একজন মুসআব বিন উমাইর (রা.)—আর আমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও রয়েছেন যার ফল পেকেছে এবং সে তা আহরণ করছে।" [সূরা আন-নিসা (৪): আয়াত ৭৫]আর তোমাদের কী হয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর পথে এবং সেই সব অসহায় পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য যুদ্ধ করছ না, যারা বলছে— 'হে আমাদের পালনকর্তা!
আমাদের এই জনপদ থেকে বের করে নিন যার অধিবাসীরা জালিম, আর আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে একজন অভিভাবক নির্ধারণ করুন এবং আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে একজন সাহায্যকারী নির্ধারণ করুন' (৭৫)।(১). খেজুর পাড়া বা সংগ্রহ করা। স্পষ্টত 'তাদের মধ্যে মুসআব...' অংশটি বর্ণনাকারীর পক্ষ থেকে সংযোজিত, যেমনটি আসাদুল গাবাহ গ্রন্থে উল্লেখ আছে।
