Al-A'raf

আল-আরাফ: 24

7:24

আরবি

قَالَ ٱهْبِطُوا۟ بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ ۖ وَلَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ مُسْتَقَرٌّ وَمَتَـٰعٌ إِلَىٰ حِينٍ

English Translations

Sahih International

[Allāh] said, "Descend, being to one another enemies. And for you on the earth is a place of settlement and enjoyment [i.e., provision] for a time."

Muhsin Khan

(Allah) said: "Get down, one of you an enemy to the other [i.e. Adam, Hawwa (Eve), and Shaitan (Satan), etc.]. On earth will be a dwelling-place for you and an enjoyment, - for a time."

Taqi Usmani

He said, “Go down, some of you enemies of some; and for you on the earth there will be a dwelling place and enjoyment for a time.”

Abul Ala Maududi

Allah said: 'Go down; you are enemies one of the other. For you there is dwelling and provision on the earth for a while.'

Pickthall

He said: Go down (from hence), one of you a foe unto the other. There will be for you on earth a habitation and provision for a while.

Yusuf Ali

(Allah) said: "Get ye down. With enmity between yourselves. On earth will be your dwelling-place and your means of livelihood,- for a time."

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

তিনি বললেন, ‘তোমরা নেমে যাও, তোমরা একে অন্যের শত্রু, পৃথিবীতে তোমাদের অবস্থান ও জীবিকা থাকবে একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য।’

রাওয়াই আল-বায়ান

তিনি বললেন, ‘তোমরা নেমে যাও। তোমরা একে অপরের শত্রু এবং যমীনে তোমাদের জন্য ক্ষণস্থায়ী আবাস ও ভোগ-উপকরণ রয়েছে’।

শাইখ মুজিবুর রহমান

তিনি (আল্লাহ) বললেনঃ তোমরা একে অন্যের শক্র রূপে এখান থেকে নেমে যাও, তোমাদের জন্য পৃথিবীতে বাসস্থান রয়েছে, একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত সেখানে জীবন ধারণের উপযোগী সামগ্রীর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

তিনি বললেন, ‘তোমরা নেমে যাও, তোমরা একে অন্যের শক্র এবং যমীনে কিছুদিনের জন্য তোমাদের বসবাস ও জীবিকা রইল।’

ফাতহুল মাজীদ

তিনি বললেন: ‘তোমরা নেমে যাও, তোমরা একে অন্যের শত্রু এবং পৃথিবীতে কিছু কালের জন্য তোমাদের বসবাস ও জীবিকা রইল।’

মুখতাসার

২৪. আল্লাহ তা‘আলা আদম, হাওয়া ও ইবলিসকে বললেন: তোমরা জান্নাত থেকে পৃথিবীতে নেমে যাও। অচিরেই তোমরা একে অপরের শত্রু হয়ে যাবে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তোমাদেরকে পৃথিবীতে অবস্থান করে সেখানকার ক্ষণিকের সুখ ভোগ করতে হবে।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

২৪-২৫ নং আয়াতের তাফসীর: জান্নাত হতে নীচে নেমে যাওয়ার এ সম্বোধন আদম (আঃ), হাওয়া (আঃ) ও ইবলীসকে করা হচ্ছে। আবার কেউ কেউ সাপকেও এর অন্তর্ভুক্ত করেছেন। কেননা সাপই আদম (আঃ) ও ইবলীসের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এ জন্যেই সূরায়ে তা’হায় আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ “তোমরা সবাই নেমে যাও।” হাওয়া (আঃ) তো আদম (আঃ)-এর বাধ্যই ছিলেন। আর সাপকেও যদি এদের অন্তর্ভুক্ত মনে করা হয় তবে সে ছিল ইবলীসের অনুগত। মুফাসসিরগণ ঐ স্থানগুলোর উল্লেখ করেছেন যেগুলোতে তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছিল। এসব খবর ইসরাঈলিয়াত হতে নেয়া হয়েছে। এগুলোর সত্যাসত্য সম্পর্কে একমাত্র আল্লাহই অবহিত রয়েছেন। যেসব স্থানে তারা পতিত হয়েছিল সেগুলোর নির্দিষ্ট করণে যদি কোন উপকারিতা থাকতো তবে অবশ্যই আল্লাহ পাক সেগুলো উল্লেখ করতেন অথবা হাদীসে কোন জায়গায় বর্ণিত হতো। ইরশাদ হচ্ছে- পৃথিবীই তোমাদের বাসস্থান হবে এবং মৃত্যু পর্যন্ত সেখানেই তোমাদের জীবন ধারণের উপযোগী সামগ্রীর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এটা ভাগ্যেও লিখা ছিল এবং লাওহে মাহফুযেও তা লিপিবদ্ধ ছিল। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, (আরবী) শব্দ দ্বারা কবর অথবা পৃথিবীর উপরিভাগ ও তলদেশ বুঝানো হয়েছে।ঘোষিত হচ্ছে-এখন তোমাদেরকে পৃথিবীতেই জীবন-যাপন করতে হবে, সেখানেই তোমরা মৃত্যুবরণ করবে এবং সেখান থেকেই পুনরায় উত্থিত হবে । যেমন তিনি অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি তোমাদেরকে মাটি দ্বারাই সৃষ্টি করেছি, মাটিতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেবো এবং পুনরায় তোমাদেরকে মাটি থেকেই বের করবো।” (২০:৫৫) আল্লাহ তাআলা সংবাদ দিচ্ছেন যে, আদম (আঃ)-এর জীবন পর্যন্ত পৃথিবীকে বাসস্থান বানানো হয়েছে। জীবিতাবস্থায় সে এখানেই থাকবে, এখানেই মৃত্যুবরণ করবে, এখানেই তার কবর হবে এবং কিয়ামতের দিন তাকে এখান থেকেই উঠানো হবে। অতঃপর স্বীয় আমলের হিসাব দিতে হবে।

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

তিনি বললেন, ‘তোমরা নেমে যাও, তোমরা একে অন্যের শক্র এবং যমীনে কিছুদিনের জন্য তোমাদের বসবাস ও জীবিকা রইল।’