Al-Baqarah
আল-বাকারা: 134
2 আল-বাকারা Al-Baqarah · 286 আয়াত البقرة
আরবি
تِلْكَ أُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ ۖ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُم مَّا كَسَبْتُمْ ۖ وَلَا تُسْـَٔلُونَ عَمَّا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ
English Translations
That was a nation which has passed on. It will have [the consequence of] what it earned, and you will have what you have earned. And you will not be asked about what they used to do.
That was a nation who has passed away. They shall receive the reward of what they earned and you of what you earn. And you will not be asked of what they used to do.
Those are a people who have passed away. For them is what they earned, and for you is what you earned. Nor shall you be questioned as to what they have been doing.
Now, they were a people who passed away. Theirs is what they have earned, and yours is what you have earned. You shall not be asked concerning what they did.
Those are a people who have passed away. Theirs is that which they earned, and yours is that which ye earn. And ye will not be asked of what they used to do.
That was a people that hath passed away. They shall reap the fruit of what they did, and ye of what ye do! Of their merits there is no question in your case!
বাংলা অনুবাদ
এ লোকেরা গত হয়ে গেছে, তাদের জন্য তাদের কৃতকর্ম এবং তোমাদের জন্য তোমাদের কৃতকর্ম এবং তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে তোমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে না।
সেটা এমন এক উম্মত যা বিগত হয়েছে। তারা যা অর্জন করেছে তা তাদের জন্যই, আর তোমরা যা অর্জন করেছ তা তোমাদের জন্যই। আর তারা যা করত সে সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে না।
ওটি একটি দল ছিল, যা অতীত হয়ে গেছে; তারা যা অর্জন করেছিল তা তাদের জন্য এবং তোমরা যা অর্জন করেছ তা তোমাদের জন্য এবং তারা যা করে গেছে তজ্জন্য তোমরা জিজ্ঞাসিত হবেনা।
তারা ছিল এমন এক জাতি, যারা অতীত হয়ে গেছে। তারা যা অর্জন করেছে তা তাদের, তোমরা যা অজন করেছো তা তোমাদের। আর তারা যা করত সে সম্বন্ধে তোমাদের প্রশ্ন করা হবে না।
ওরা একটা দল ছিল যা অতীত হয়ে গেছে; তারা যা অর্জন করেছিল তা তাদের জন্য এবং তোমরা যা অর্জন করেছ তা তোমাদের জন্য এবং তারা যা করে গেছে তার জন্য তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে না।
১৩৪. এরা এমন এক জাতি যারা অন্যান্যদের ন্যায় ইতিপূর্বে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে। তারা দুনিয়া থেকে যে আমল অগ্রিম পাঠিয়েছে তারা তাই পাবে। তারা ভালো-মন্দ যাই অর্জন করেছে তারা তারই প্রতিদান পাবে। আর তোমরা নিজেদের অর্জনের প্রতিদান পাবে। তোমাদেরকে তাদের আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে না। না তাদেরকে তোমাদের আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। কাউকে অন্যের পাপের জন্য কখনোই পাকড়াও করা হবে না। বরং প্রত্যেককে তার আমলেরই প্রতিদান দেয়া হবে। তাই তোমরা নিজেদের পূর্ববর্তীদের কারো আমল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে নিজেদের আমলের ব্যাপারে চিন্তা করতে ভুলে যেও না। কারণ, আল্লাহর রহমতের পর নেক আমল ছাড়া কেউ কারোই উপকার করতে পারবে না।
তাফসীর
2:133
তারা ছিল এমন এক জাতি, যারা অতীত হয়ে গেছে। তারা যা অর্জন করেছে তা তাদের, তোমরা যা অজন করেছো তা তোমাদের। আর তারা যা করত সে সম্বন্ধে তোমাদের প্রশ্ন করা হবে না [১]।
[১] আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, বাপ-দাদার সৎকর্ম সন্তানদের উপকারে আসে না - যতক্ষণ না তারা নিজেরা সৎকর্ম সম্পাদন করবে। এমনিভাবে বাপ-দাদার কুকর্মের শাস্তিও সন্তানরা ভোগ করবে না, যদি তারা সৎকর্মশীল হয়। কুরআন এ বিষয়টি বারবার বিভিন্ন ভঙ্গিতে বর্ণনা করেছে। বিভিন্ন আয়াতে বলা হয়েছেঃ “একজনের বোঝা অন্যজন বহন করবে না”। [সূরা আল-আনআমঃ ১৬৪. আল-ইসরাঃ ১৫, ফাতিরঃ ১৮, আৰ্য-যুমারঃ ৭, আন-নাজমঃ ৩৮]
রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “হে বনী-হাশেম! এমন যেন না হয় যে, কেয়ামতের দিন অন্যান্য লোকজন নিজ নিজ সৎকর্ম নিয়ে আসবে আর তোমরা আসবে সৎকর্ম থেকে উদাসীন হয়ে শুধু বংশ গৌরব নিয়ে এবং আমি বলব যে, আল্লাহ্র আযাব থেকে আমি তোমাদের বাচাতে পারব না। [মুসলিমঃ ২৫৪৩]
অন্য এক হাদীসে আছে, 'আমল যাকে পিছনে ফেলে দেয়, বংশ তাকে এগিয়ে নিতে পারে না। [মুসলিম: ২৬৯৯, আবু দাউদ: ১৪৫৫]
