Al-Baqarah
আল-বাকারা: 138
2 আল-বাকারা Al-Baqarah · 286 আয়াত البقرة
আরবি
صِبْغَةَ ٱللَّهِ ۖ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ ٱللَّهِ صِبْغَةً ۖ وَنَحْنُ لَهُۥ عَـٰبِدُونَ
English Translations
[And say, "Ours is] the religion of Allāh. And who is better than Allāh in [ordaining] religion? And we are worshippers of Him."
[Our Sibghah (religion) is] the Sibghah (Religion) of Allah (Islam) and which Sibghah (religion) can be better than Allah's? And we are His worshippers. [Tafsir Ibn Kathir.]
(We dye ourselves with) the colouring of Allah! For who is better in colouring than Allah? We are to worship none but Him.
Say: “Take on Allah’s colour.” And whose colour is better than Allah’s? It is Him that we serve.
(We take our) colour from Allah, and who is better than Allah at colouring. We are His worshippers.
(Our religion is) the Baptism of Allah: And who can baptize better than Allah? And it is He Whom we worship.
বাংলা অনুবাদ
(আমাদের দ্বীন) আল্লাহর রঙে রঞ্জিত এবং আল্লাহর রঙ অপেক্ষা আর কার রঙ উত্তম হবে? এবং আমরা তাঁরই ‘ইবাদাতকারী।
(বল,) আমরা আল্লাহর রং গ্রহণ করলাম। আর রং এর দিক দিয়ে আল্লাহর চেয়ে কে অধিক সুন্দর? আর আমরা তাঁরই ইবাদাতকারী।
আমরা আল্লাহরই রংয়ে রঞ্জিত, আল্লাহ অপেক্ষা কে শ্রেষ্ঠতম রঞ্জনকারী? এবং আমরা তাঁরই বান্দা।
আল্লাহ্র রঙ এ রঞ্জিত হও। আর রং এর দিক দিয়ে আল্লাহ্র চেয়ে কে বেশী সুন্দর? আর আমরা তাঁরই ‘ইবাদাতকারী।
আল্লাহর রং (দীন) গ্রহণ কর, আল্লাহর রং (দীন) এর চাইতে উত্তম রং (দীন) আর কার হতে পারে? আর আমরা তাঁরই ইবাদতকারী।
১৩৮. তোমরা আল্লাহর ধর্মকে আঁকড়ে ধরো যার উপর তিনি তোমাদেরকে বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণভাবে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ প্রদত্ত ধর্মের চেয়ে উত্তম আর কোন ধর্ম নেই। কারণ, সেটি হলো মানুষের প্রকৃতি মাফিক। যা সমূহ লাভ নিয়ে আসে এবং সমূহ অকল্যাণ থেকে রক্ষা করে। আর তোমরা বলো: আমরা এক আল্লাহর ইবাদাতকারী। তাঁর সাথে আমরা কখনো অন্যকে শরীক করবো না।
তাফসীর
2:137
আল্লাহ্র রঙ এ রঞ্জিত হও [১]। আর রং এর দিক দিয়ে আল্লাহ্র চেয়ে কে বেশী সুন্দর? আর আমরা তাঁরই ‘ইবাদাতকারী।
[১] আল্লাহ্র রং বলতে অধিকাংশ মুফাসসিরীনের নিকট উদ্দেশ্য হলোঃ আল্লাহ্র দ্বীন বা ইসলাম। সারমর্ম হলো - যা কিছু বর্ণিত হলো, তা হলো আল্লাহ্র দ্বীন, তাঁর নবী ইবরাহীমের মিল্লাত, এটা হলো সর্বোত্তম রং। আয়াতটির দুটি অনুবাদ হতে পারে। (এক) আমরা আল্লাহ্র রং ধারণ করেছি। (দুই) আল্লাহ্র রং ধারণ কর। নাসারাদের দ্বীনের আত্মপ্রকাশের পূর্বে ইয়াহুদীদের মধ্যে একটি বিশেষ রীতির প্রচলন ছিল। কেউ তাদের দ্বীন গ্রহণ করলে তাকে গোসল করানো হত। আর তাদের ওখানে গোসলের অর্থ ছিল, তার সমস্ত গোনাহ যেন ধুয়ে গেল এবং তার জীবন যেন রং ধারণ করল। পরবর্তী কালে নাসারাদের মধ্যেও এ রীতির প্রচলন হয়। তাদের ওখানে এর পরিভাষিক নাম হচ্ছে – ‘ইস্তিবাগ’ বা রঙ্গিন করা (ব্যাপ্টিজম)। তাদের দ্বীনে যারা প্রবেশ করে কেবল তাদেরকেই ব্যাপ্টাইজড করা হয় না, বরং নাসারা শিশুদেরকেও ব্যাপ্টাইজড করা হয়। এ ব্যাপারেই বলা হচ্ছে যে, এ লোকাচারমূলক রঞ্জিত হবার যৌক্তিকতা কোথায়? বরং আল্লাহ্র রঙে রঞ্জিত হও। যা কোন পানির দ্বারা হওয়া যায় না। বরং তাঁর বন্দেগীর পথ অবলম্বন করে এ রঙে রঞ্জিত হওয়া যায়।
