Al-Baqarah
আল-বাকারা: 210
2 আল-বাকারা Al-Baqarah · 286 আয়াত البقرة
মূল আরবি
هَلْ يَنظُرُونَ إِلَّآ أَن يَأْتِيَهُمُ ٱللَّهُ فِى ظُلَلٍ مِّنَ ٱلْغَمَامِ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ وَقُضِىَ ٱلْأَمْرُ ۚ وَإِلَى ٱللَّهِ تُرْجَعُ ٱلْأُمُورُ
English Translations
Do they await but that Allāh should come to them in covers of clouds and the angels [as well] and the matter is [then] decided? And to Allāh [all] matters are returned.
Do they then wait for anything other than that Allah should come to them in the shadows of the clouds and the angels? (Then) the case would be already judged. And to Allah return all matters (for decision).
They are looking for nothing (to accept the truth) but that Allah (Himself) comes upon them in canopies of cloud with angels, and the matter is closed. To Allah shall all matters be returned.
Are those people (who are not following the Right Path in spite of admonition and instruction) waiting for Allah to come to them in canopies of clouds with a retinue of angels and settle the matter finally? To Allah shall all matters ultimately be referred.
Wait they for naught else than that Allah should come unto them in the shadows of the clouds with the angels? Then the case would be already judged. All cases go back to Allah (for judgment).
Will they wait until Allah comes to them in canopies of clouds, with angels (in His train) and the question is (thus) settled? but to Allah do all questions go back (for decision).
বাংলা অনুবাদ
এরা কি এজন্য অপেক্ষা করছে যে, মেঘমালার ছত্র লাগিয়ে ফেরেশতাদের সঙ্গে নিয়ে আল্লাহ তাদের কাছে আগমন করবেন, অতঃপর সবকিছুর মীমাংসা হয়ে যাবে? বস্তুতঃ সকল কার্য আল্লাহর নিকটেই ফিরে যায় (চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য)।
তারা কি এরই অপেক্ষা করছে যে, মেঘের ছায়ায় আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ তাদের নিকট আগমন করবেন এবং সব বিষয়ের ফয়সালা করে দেয়া হবে। আর আল্লাহর নিকটই সব বিষয় প্রত্যাবর্তিত হবে।
তারা শুধু এই অপেক্ষাই করছে যে, আল্লাহ শুভ্র মেঘমালার ছায়াতলে মালাইকা/ফেরেশতাদেরকে সঙ্গে নিয়ে তাদের নিকট সমাগত হবেন ও সমস্ত কাজের নিস্পত্তি করবেন। এবং আল্লাহরই নিকট সমস্ত কার্য প্রত্যাবর্তিত হয়ে থাকে।
তারা কি শুধু এর প্রতীক্ষায় রয়েছে যে, আল্লাহ্ ও ফেরেশতাগণ মেঘের ছায়ায় তাদের কাছে উপস্থিত হবেন? এবং সবকিছুর মীমাংসা হয়ে যাবে। আর সমস্ত বিষয় আল্লাহ্র কাছেই প্রত্যাবর্তিত হবে।
তারা কি শুধু এ অপেক্ষাই করছে যে, আল্লাহ তা‘আলা মেঘমালার ছায়ার সাথে তাদের নিকট আগমন করবেন, আর ফেরেশতারাও (আসবেন) এবং সকল বিষয়ের মীমাংসা করা হবে। আর প্রতিটি বিষয় (শেষ পর্যন্ত) আল্লাহর দিকেই প্রত্যাবর্তিত হবে।
২১০. এতো কিছুর পরও যারা সত্যকে পাশ কাটিয়ে শয়তানের পথ অনুসরণ করেছে তারা কি এখনো এই অপেক্ষাই করছে যে, আল্লাহ তা‘আলা মেঘমালার ছায়াতলে নিজেই তাদের নিকট এসে উপস্থিত হবেন এবং ফেরেশতাগণ তাদেরকে চতুর্দিক থেকে বেষ্টন করে রাখবেন? কিন্তু তখনই তো আল্লাহর চূড়ান্ত ফায়সালা ঘোষিত হয়ে যাবে এবং তাদের ব্যাপারসমূহের পরিসমাপ্তি ঘটবে। বস্তুতঃ একমাত্র আল্লাহর দিকেই তাঁর সৃষ্টির সকল ব্যাপার ও কর্মকাণ্ড প্রত্যাবর্তিত হয়।
তাফসীর
এই আয়াতে মহান আল্লাহ কাফিরদেরকে ধমক দিয়ে বলছেন যে, তারা কি কিয়ামতেরই অপেক্ষা করছে যে দিন সত্যের সঙ্গে ফায়সালা হয়ে যাবে এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তার কৃতকর্মের ফলভোগ করবে: যেমন অন্য জায়গায় রয়েছে, ‘যে দিন পৃথিবী টুকরো টুকরো হয়ে উড়ে যাবে এবং স্বয়ং তোমার প্রভু এসে যাবেন, ফেরেস্তাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে যাবে, দোযখকেও সামনে এনে দাড় করানো হবে, সেদিন এসব লোক শিক্ষা ও উপদেশ লাভ করবে, কিন্তু তাতে আর কি উপকার হবে:' অন্যস্থানে রয়েছে, তারা কি এরই অপেক্ষা করছে যে, তাদের নিকট ফেরেস্তারা এসে যাবে বা স্বয়ং আল্লাহ তাআলাই এসে যাবেন কিংবা তার কতকগুলো নিদর্শন এসে যাবে: যদি এটা হয়েই যায় তবে না ঈমান কোন কাজ দেবে, না সৎ কার্যাবলী সম্পাদনের সময় থাকবে।ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) এখানে একটি দীর্ঘ হাদীস এনেছেন যার মধ্যে শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া ইত্যাদির বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
এর বর্ণনাকারী হচ্ছেন হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ)। মুসনাদ ইত্যাদির মধ্যে এই হাদীসটি রয়েছে। এর মধ্যে বর্ণিত আছে যে, যখন মানুষ ভীত ও সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে তখন তারা নবীদের (আঃ) নিকট সুপারিশের প্রার্থনা জানাবে। হযরত আদম (আঃ) থেকে নিয়ে এক একজন নবীর কাছে তারা যাবে এবং প্রত্যেকের কাছে পরিষ্কার জবাব পেয়ে ফিরে আসবে। অবশেষে তারা আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর নিকট পৌছবে। তিনি উত্তর দেবেন, আমি প্রস্তুত আছি। আমিই তার অধিকারী। অতঃপর তিনি যাবেন এবং আরশের নীচে সিজদায় পড়ে যাবেন। তিনি আল্লাহ তা'আলার নিকট সুপারিশ করবেন যে, তিনি যেন বান্দাদের ফায়সালার জন্যে আগমন করেন।
আল্লাহ তা'আলা তাঁর সুপারিশ কবুল করবেন এবং মেঘমালার ছত্রতলে সমাগত হবেন। দুনিয়ার আকাশও ফেটে যাবে এবং তার সমস্ত ফেরেস্তা এসে যাবেন। অতঃপর দ্বিতীয় আকাশটিও ফেটে যাবে এবং ওর ফেরেস্তাগণও এসে যাবেন। এভাবে সাতটি আকাশই ফেটে যাবে এবং সেগুলোর ফেরেস্তাগণ এসে যাবেন। এরপর আল্লাহ তাআলার আরশ নেমে আসবে এবং সম্মানিত ফেরেস্তাগণ অবতরণ করবেন এবং স্বয়ং মহা শক্তিশালী আল্লাহ আগমন করবেন। সমস্ত ফেরেস্তা তাসবীহ পাঠে লিপ্ত হয়ে পড়বেন। সেই সময় তারা নিম্নলিখিত তাসবীহ পাঠ করবেনঃ (আরবি)অর্থাৎ সাম্রাজ্য ও আত্মার অধিকারীর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। সম্মান ও অসীম ক্ষমতার অধিকারীর প্রশংসা কীর্তন করছি।
সেই চিরঞ্জীবের পবিত্রতা বর্ণনা করছি যিনি মৃত্যুবরণ করেন না। তাঁরই গুণগান করছি যিনি সৃষ্টজীবসমূহের মৃত্যু ঘটিয়ে থাকেন এবং তিনি নিজে মৃত্যুমুখে পতিত হন না। ফেরেস্তাগণ ও আত্মার প্রভুর তাসবীহ পাঠ করছি। আমাদের বড় প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। সাম্রাজ্য ও শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারীর আমরা গুণকীর্তন করছি। সদা-সর্বদা তারই পবিত্রতা বর্ণনা করছি।'হাফিয ইবনে আবু বকর মিরদুওয়াই (রঃ) এই আয়াতের তাফসীরে অনেক হাদীস এনেছেন সেগুলোর মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। ওগুলোর মধ্যে একটি এই যে,রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা পূর্ববর্তী ও পরবর্তীদেরকে ঐ দিন একত্রিত করবেন যার সময় নির্ধারিত রয়েছে।
তাদের দৃষ্টিগুলো আকাশের দিকে থাকবে। প্রত্যেকেই ফায়সালার জন্যে অপেক্ষমান থাকবে। আল্লাহ তা'আলা মেঘমালার ছত্রতলে আরশ হতে কুরসীর উপর অবতরণ করবেন। মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিমের মধ্যে রয়েছে, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন যে, যে সময় তিনি অবতরণ করবেন সেই সময় তার মধ্যে ও তার সৃষ্টজীবের মধ্যে সত্তর হাজার আবরণ থাকবে। আবরণগুলো হবে আলো, অন্ধকার ও পানির আবরণ। পানি অন্ধকারের মধ্যে এমন শব্দ করবে যার ফলে অন্তর কেঁপে উঠবে ।হযরত যুহাইর বিন মুহাম্মদ (রঃ) বলেন যে, ঐ মেঘপুঞ্জের ছায়াতল মণি দ্বারা জড়ান থাকবে এবং তা হবে মুক্তা ও পান্না বিশিষ্ট।
হযরত মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, এই মেঘমালা সাধারণ মেঘমালা নয়। রবং এটা ঐ মেঘমালা যা তীহ উপত্যকায় বানী ইসরাঈলের মস্তকোপরি বিরাজমান ছিল। হযরত আবুল আলিয়া (রঃ) বলেন যে, ফেরেস্তাগণও মেঘপুঞ্জের ছায়াতলে আসবেন এবং আল্লাহ তা'আলা যাতে চাবেন তাতেই আসবেন। কোন কোন পঠনে এও আছে (আরবি)অর্থাৎ তারা কি এই অপেক্ষাই করছে যে, আল্লাহ তাদের নিকট আগমন করবেন এবং ফেরেস্তাগণ মেঘমালার ছায়াতলে আসবে:' অন্য জায়গায় রয়েছেঃ(আরবি) অর্থাৎ ‘সেইদিন আকাশ মেঘসই ফেটে যাবে এবং ফেরেস্তাগণ অবতরণ করবেন।' (২৫:২৫)
তারা কি শুধু এর প্রতীক্ষায় রয়েছে যে, আল্লাহ্ ও ফেরেশতাগণ মেঘের ছায়ায় তাদের কাছে উপস্থিত হবেন [১] ? এবং সবকিছুর মীমাংসা হয়ে যাবে। আর সমস্ত বিষয় আল্লাহ্র কাছেই প্রত্যাবর্তিত হবে।
[১] আল্লাহ্ ও ফেরেশতা মেঘের আড়ালে করে তাদের নিকট আগমন করবেন, এমন ঘটনা কেয়ামতের দিন সংঘটিত হবে। হাশরের মাঠে আল্লাহ্র আগমন সত্য ও সঠিক। এ সম্পর্কে সাহাবী ও তাবেয়ী এবং বুযুর্গানে দ্বীনের রীতি হচ্ছে, বিষয়টিকে সঠিক ও সত্য বলে বিশ্বাস করে নেয়া, কিন্তু কিভাবে তা সংঘটিত হবে, তা আমরা জানি না।
[সূরা আল-বাকারা (২): আয়াত ২১০] পূর্ণ পৃষ্ঠা
[সূরা আল-বাকারা (২): আয়াত ২১০]তারা কি কেবল এরই অপেক্ষা করছে যে, মেঘের ছায়ার মধ্যে আল্লাহ ও ফেরেশতারা তাদের নিকট উপস্থিত হবেন এবং সব বিষয়ের ফয়সালা হয়ে যাবে? আর আল্লাহর কাছেই সকল বিষয় প্রত্যাবর্তিত হয়। (২১০)‘তারা কি অপেক্ষা করছে’ অর্থাৎ যারা ইসলামে প্রবেশ করা বর্জন করেছে। আর এখানে ‘কি’ (هل) শব্দটি অস্বীকৃতি জ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়েছে, অর্থাৎ তারা অন্য কিছুর অপেক্ষা করছে না: (কেবল এরই যে, মেঘের ছায়ার মধ্যে আল্লাহ ও ফেরেশতারা তাদের নিকট উপস্থিত হবেন)। ‘নাজারতুহু’ এবং ‘ইনতাজারতুহু’ শব্দ দুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। আর ‘নাজার’ মানে হলো অপেক্ষা করা।
কাতাদাহ, আবু জাফর ইয়াজিদ ইবনুল কাকা এবং আদ-দাহহাক ‘মেঘের ছায়াসমূহের মধ্যে’ পাঠ করেছেন। আবু জাফর ‘ফেরেশতাগণের’ শব্দটিকে ‘জের’ দিয়ে পাঠ করেছেন মেঘের সাথে অন্বয় (আতিফ) করে, যার অর্থ দাঁড়াবে ফেরেশতাদের সাথে; আরবরা বলে থাকে: ‘আমির সৈন্যবাহিনীর মধ্যে আগমন করেছেন’, অর্থাৎ সৈন্যবাহিনীর সাথে। ‘জুলাল’ শব্দটি ‘জুল্লা’ শব্দের একটি বহুবচন রূপ, যেমন ‘জুলমা’ থেকে ‘জুলাম’। সীবওয়াইহ কাব্য পাঠ করেছেন:যখন বন্যপ্রাণীরা তাদের ছায়ার আশ্রয়ে সমবেত হয় … প্রচণ্ড উত্তাপে নুয়ে পড়ে, অথচ ইতিপূর্বে তা স্পষ্ট ছিল।আর ‘জুল্লাত’ ও ‘জিলাল’ শব্দ দুটি ‘জিল’ (ছায়া) শব্দের অধিকবাচক বহুবচন, আর অল্পবাচক বহুবচন হলো ‘আযলাল’।
এটাও সম্ভব যে ‘জিলাল’ শব্দটি ‘জুল্লা’ শব্দের বহুবচন, যেমন ‘কুল্লা’ থেকে ‘কিলাল’ হয়, কবি যেমন বলেছেন:ঘড়ার পানির সাথে মিশ্রিত। সাঈদ আল-আখফাশ বলেছেন: ‘ফেরেশতাগণের’ শব্দটিতে ‘জের’ প্রদান করা ‘ফেরেশতাদের মধ্যে’ অর্থ প্রদান করে। তিনি বলেন: তবে পেশ দিয়ে পাঠ করা অধিকতর উত্তম, যেমন আল্লাহ বলেছেন: “তারা কি কেবল ফেরেশতা আসার অপেক্ষা করছে”, এবং “আপনার প্রতিপালক ও ফেরেশতারা সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন”। আল-ফাররা বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের কিরাআতে রয়েছে: “তারা কি কেবল মেঘের ছায়ার মধ্যে আল্লাহ ও ফেরেশতাদের আসার অপেক্ষা করছে”। কাতাদাহ বলেছেন: ফেরেশতারা আসবে তাদের প্রাণ হরণ করার জন্য; আবার বলা হয়েছে এটি কিয়ামত দিবসের কথা, আর এটাই অধিক স্পষ্ট।
আবুল আলিয়া ও আর-রাবি বলেছেন: ফেরেশতারা মেঘের ছায়ায় আসবে, আর আল্লাহ যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে আসবেন। আয-যাজ্জাজ বলেছেন: এর মর্মার্থ হলো মেঘের ছায়ার মধ্যে এবং ফেরেশতাদের মধ্যে। কেউ কেউ বলেছেন: মহান আল্লাহর ক্ষেত্রে এ বাণীটি বাহ্যিক অর্থে প্রযোজ্য নয়, বরং এর প্রকৃত অর্থ হলো আল্লাহর নির্দেশ ও ফয়সালা তাদের কাছে আসবে। আবার বলা হয়েছে: এর অর্থ হলো তাদের প্রতি প্রতিশ্রুত হিসাব ও শাস্তি মেঘের ছায়ার মধ্যে আসবে, যেমন আল্লাহ বলেছেন: “অতঃপর আল্লাহ তাদের কাছে এমনভাবে আসলেন যা তারা কল্পনাও করেনি”, অর্থাৎ তাদের লাঞ্ছিত করার মাধ্যমে; এটি আয-যাজ্জাজের অভিমত, আর প্রথমটি সাঈদ আল-আখফাশের।
এটিও সম্ভব হতে পারে যে, ‘আসা’ বা আগমনের অর্থ প্রতিদানের দিকে ফিরে যাওয়া, তাই তিনি নামকরণ করেছেন...(১). কোনো কোনো পাণ্ডুলিপিতে ‘আল-ইসলাম’ শব্দ রয়েছে।(২). কবিতাটি আল-জাদির। ‘আজহারা’ শব্দের অর্থ দুপুরের সময় হওয়া। তিনি দ্বিপ্রহরের তপ্ত রোদে সফরের বর্ণনা দিচ্ছেন যখন বন্যপ্রাণীরা সূর্যের তাপ ও প্রখরতা থেকে বাঁচতে তাদের আশ্রয়ে লুকিয়ে পড়ে।(৩). ‘কিলাল’ (জের যোগে) হলো ‘কুল্লা’ (পেশ যোগে)-এর বহুবচন: যার অর্থ বড় কলস বা ঘড়া, বলা হয়ে থাকে এটি আরবদের ব্যবহৃত ঘড়ার ন্যায় একটি পাত্র।(৪). সূরা আল-আনআম, আয়াত ১৫৮।(৫). সূরা আল-ফজর, আয়াত ২২।(৬).
সূরা আল-হাশর, আয়াত ২।
