Ash-Shu'ara

আশ-শুআরা: 124

26:124
টেক্সট কপি

মূল আরবি

إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ هُودٌ أَلَا تَتَّقُونَ

English Translations

Sahih International

When their brother Hūd said to them, "Will you not fear Allāh?

Muhsin Khan

When their brother Hud said to them: "Will you not fear Allah and obey Him?

Taqi Usmani

when their brother Hūd said to them, “Do you not fear Allah?

Abul Ala Maududi

Recall, when their brother Hud said to them: "Have you no fear?

Pickthall

When their brother Hud said unto them: Will ye not ward off (evil)?

Yusuf Ali

Behold, their brother Hud said to them: "Will ye not fear (Allah)?

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

যখন তাদের ভাই হূদ তাদেরকে বলল- ‘তোমরা কি (আল্লাহকে) ভয় করবে না?

রাওয়াই আল-বায়ান

যখন তাদের ভাই হূদ তাদেরকে বলেছিল, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না’?

শাইখ মুজিবুর রহমান

যখন তাদের ভাই হুদ তাদেরকে বললঃ তোমরা কি সাবধান হবেনা?

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

যখন তাদের ভাই হূদ তাদেরকে বললেন, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না?

ফাতহুল মাজীদ

যখন তাদের ভ্রাতা হূদ তাদেরকে বলল:‎ ‘তোমরা কি সাবধান হবে না?

মুখতাসার

১২৪. আপনি স্মরণ করুন সে সময়ের কথা যখন তাদের নবী হূদ (আলাইহিস-সালাম) তাদেরকে বললো: তোমরা কি আল্লাহ ভিন্ন অন্যের ইবাদাত পরিত্যাগ করে তাঁর ভয়ে খাঁটি মুত্তাকী হয়ে যাবে না?!

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

26:123

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

যখন তাদের ভাই হূদ তাদেরকে বললেন, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না?

তাফসীর আল-কুরতুবী

[সূরা আশ-শুআরা (২৬): আয়াত ১২৩ হতে ১৪০] পূর্ণ পৃষ্ঠা

[সূরা আশ-শুআরা (২৬): আয়াত ১২৩ হতে ১৪০]আদ সম্প্রদায় রাসুলগণকে অস্বীকার করেছিল। (১২৩) যখন তাদের ভাই হূদ তাদের বললেন, তোমরা কি ভয় করবে না? (১২৪) নিশ্চয়ই আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসুল। (১২৫) অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো। (১২৬) আর আমি এর জন্য তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান চাই না; আমার প্রতিদান তো কেবল বিশ্বজগতের প্রতিপালকের নিকট রয়েছে। (১২৭)তোমরা কি প্রতিটি উচ্চ স্থানে অনর্থক একটি করে নিদর্শন নির্মাণ করছ? (১২৮) আর তোমরা সুদৃঢ় প্রাসাদসমূহ নির্মাণ করছ যেন তোমরা চিরকাল অবস্থান করবে? (১২৯) আর যখন তোমরা আঘাত হানো, তখন তোমরা প্রতাপশালী স্বৈরাচারীর মতো আঘাত হানো।

(১৩০) সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো। (১৩১) আর সেই সত্তাকে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে সেইসব বিষয় দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন যা তোমরা জানো। (১৩২)তিনি তোমাদেরকে সমৃদ্ধ করেছেন গবাদি পশু ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা, (১৩৩) এবং উদ্যান ও ঝরনাধারা দ্বারা। (১৩৪) নিশ্চয়ই আমি তোমাদের ওপর এক মহাদিবসের আজাবের আশঙ্কা করছি। (১৩৫) তারা বলল, আমাদের জন্য উভয়ই সমান—তুমি উপদেশ দাও কিংবা উপদেশদাতাদের অন্তর্ভুক্ত না হও। (১৩৬) এটি তো পূর্ববর্তীদের স্বভাব বা রীতি বৈ কিছু নয়। (১৩৭)আর আমরা শাস্তিপ্রাপ্ত হব না। (১৩৮) অতঃপর তারা তাকে অস্বীকার করল, ফলে আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দিলাম।

নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশ ঈমানদার ছিল না। (১৩৯) আর নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক; তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। (১৪০)আল্লাহ তাআলার বাণী: (আদ সম্প্রদায় রাসুলগণকে অস্বীকার করেছিল) - এখানে স্ত্রীবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে গোত্র ও জনসমষ্টি বুঝানোর জন্য। আর তাদের রাসুলদের প্রতি মিথ্যারোপের বিষয়টি ইতিপূর্বে আলোচিত হয়েছে। (যখন তাদের ভাই হূদ তাদের বললেন, তোমরা কি ভয় করবে না? নিশ্চয়ই আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসুল। অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো। আর আমি এর জন্য তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান চাই না; আমার প্রতিদান তো কেবল বিশ্বজগতের প্রতিপালকের নিকট রয়েছে) - এর অর্থ সুস্পষ্ট এবং তা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

আল্লাহ তাআলার বাণী: (তোমরা কি প্রতিটি উচ্চ স্থানে অনর্থক একটি করে নিদর্শন নির্মাণ করছ?) - ইবনে আব্বাস ও অন্যদের মতে ‘রী’ (الرِّيعُ) হলো ভূমির উচ্চ স্থান; এটি ‘রীআহ’ শব্দের বহুবচন। যেমন বলা হয়: ‘তোমার জমির রী কত?’ অর্থাৎ তার উচ্চতা কত। কাতাদাহ বলেন: ‘রী’ হলো রাস্তা। এটি যাহহাক, কালবী, মুকাতিল ও সুদ্দীরও অভিমত। ইবনে আব্বাস থেকেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। আল-মুসায়্যাব ইবনে আলাস-এর উক্তিও এরই অন্তর্গত:মরীচিকার মাঝে তা তাকে নিচু ও উঁচু করছিল … একটি পথ যা প্রতিভাত হচ্ছিল যেন তা একটি সাদা চাদর।