Ash-Shu'ara
আশ-শুআরা: 50
26 আশ-শুআরা Ash-Shu'ara · 227 আয়াত الشعراء
মূল আরবি
قَالُوا۟ لَا ضَيْرَ ۖ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا مُنقَلِبُونَ
English Translations
They said, "No harm. Indeed, to our Lord we will return.
They said: "No harm! Surely, to our Lord (Allah) we are to return;
They said, “There is no harm. We will return to our Lord.
They said: "We do not care, for we are bound to return to our Lord,
They said: It is no hurt, for lo! unto our Lord we shall return.
They said: "No matter! for us, we shall but return to our Lord!
বাংলা অনুবাদ
তারা বলল- কোনই ক্ষতি নেই, আমরা আমাদের প্রতিপালকের পানে প্রত্যাবর্তন করব।
তারা বলল, ‘কোন ক্ষতি নেই তাতে। অবশ্যই আমরা তো আমাদের রবের দিকেই ফিরে যাব।’
তারা বললঃ কোন ক্ষতি নেই, আমরা আমাদের রবের নিকট প্রত্যাবর্তন করব।
তারা বলল, ‘কোনো ক্ষতি নেই, আমরা তো আমাদের রবের কাছেই প্রত্যাবর্তনকারী।
তারা বলল: ‘কোন ক্ষতি নেই, আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তন করব।
৫০. যাদুকররা ফিরআউনকে বললো: তোমরা দুনিয়াতে যে হত্যাকাণ্ড ও শূলে চড়ানোর হুমকি দিচ্ছো তাতে আমাদের কোন ক্ষতি নেই। কারণ, তোমার শাস্তি তো একসময় শেষ হয়ে যাবে। আর আমরা নিজেদের প্রতিপালকের নিকট চলে যাবো। তিনি আমাদেরকে অচিরেই তাঁর স্থায়ী রহমতে প্রবেশ করাবেন।
তাফসীর
26:49
তারা বলল, ‘কোন ক্ষতি নেই [১], আমরা তো আমাদের রব-এর কাছেই প্রত্যাবর্তনকারী।
[১] অর্থাৎ যখন ফির‘আউন জাদুকরদেরকে বিশ্বাস স্থাপনের কারণে হত্যা, হস্ত-পদ কর্তন ও শূলে চড়ানোর হুমকি দিল, তখন জাদুকররা অত্যন্ত তাচ্ছিল্যাভরে জবাব দিলঃ তুমি যা করতে পার, কর। আমাদের কোন ক্ষতি নেই। আমরা নিহত হলেও পালনকর্তার কাছে পৌঁছে যাব, সেখানের আরামই আরাম। [কুরতুবী, ফাতহুল কাদীর, মুয়াসসার]
[সূরা আশ-শুআরা (২৬): আয়াত ২৩ থেকে ৫১] পূর্ণ পৃষ্ঠা
[সূরা আশ-শুআরা (২৬): আয়াত ২৩ থেকে ৫১]ফিরআউন বলল, "আর জগতসমূহের প্রতিপালক আবার কে?" (২৩) তিনি বললেন, "তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও।" (২৪) সে তার চারপাশের লোকদের বলল, "তোমরা কি শুনছ না?" (২৫) তিনি বললেন, "তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদেরও প্রতিপালক।" (২৬) সে বলল, "তোমাদের নিকট প্রেরিত তোমাদের এই রসূল তো অবশ্যই একজন উন্মাদ।" (২৭)তিনি বললেন, "তিনি পূর্ব ও পশ্চিম এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা বুঝতে পারো।" (২৮) সে বলল, "তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্য কাউকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারারুদ্ধদের অন্তর্ভুক্ত করব।" (২৯) তিনি বললেন, "আমি যদি তোমার নিকট কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসি, তবুও কি?" (৩০) সে বলল, "তবে তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে তা নিয়ে এসো।" (৩১) অতঃপর তিনি তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, তৎক্ষণাৎ তা একটি প্রকাশ্য অজগরে পরিণত হলো।
(৩২)এবং তিনি তাঁর হাত বের করলেন, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের কাছে শুভ্র উজ্জ্বল প্রতীয়মান হলো। (৩৩) সে তার চারপাশের পরিষদবর্গকে বলল, "নিশ্চয় এই ব্যক্তি একজন বিজ্ঞ জাদুকর।" (৩৪) "সে তার জাদুর মাধ্যমে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বের করে দিতে চায়। এখন তোমরা কী পরামর্শ দাও?" (৩৫) তারা বলল, "তাকে ও তার ভাইকে অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে সংগ্রাহকদের পাঠিয়ে দিন," (৩৬) "যাতে তারা আপনার নিকট প্রতিটি বিজ্ঞ জাদুকরকে নিয়ে আসে।" (৩৭)অতঃপর জাদুকরদের এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে একত্রিত করা হলো। (৩৮) এবং সাধারণ মানুষকে বলা হলো, "তোমরাও কি সমবেত হবে?" (৩৯) "যাতে আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি, যদি তারা বিজয়ী হয়।" (৪০) অতঃপর জাদুকররা যখন উপস্থিত হলো, তারা ফিরআউনকে বলল, "আমরা যদি বিজয়ী হই, তবে আমাদের জন্য কি পুরস্কার থাকবে?" (৪১) সে বলল, "হ্যাঁ, এবং তখন তোমরা অবশ্যই আমার ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" (৪২)মুসা তাদেরকে বললেন, "তোমাদের যা নিক্ষেপ করার নিক্ষেপ করো।" (৪৩) অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠিগুলো নিক্ষেপ করল এবং বলল, "ফিরআউনের প্রতাপের শপথ, নিশ্চয়ই আমরাই বিজয়ী হবো।" (৪৪) অতঃপর মুসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, আর হঠাৎ তা তাদের অলীক সৃষ্টিগুলোকে গ্রাস করতে লাগল।
(৪৫) তখন জাদুকরেরা সেজদায় পড়ে গেল। (৪৬) তারা বলল, "আমরা জগতসমূহের প্রতিপালকের ওপর ঈমান আনলাম।" (৪৭)"যিনি মুসা ও হারুনের প্রতিপালক।" (৪৮) সে (ফিরআউন) বলল, "আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেওয়ার আগেই কি তোমরা তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলে? নিশ্চয় সে-ই তোমাদের প্রধান যে"
