Ash-Shu'ara

আশ-শুআরা: 33

26:33
টেক্সট কপি

মূল আরবি

وَنَزَعَ يَدَهُۥ فَإِذَا هِىَ بَيْضَآءُ لِلنَّـٰظِرِينَ

English Translations

Sahih International

And he drew out his hand; thereupon it was white for the observers.

Muhsin Khan

And he drew out his hand, and behold, it was white to all beholders!

Taqi Usmani

and he drew out his hand, and right then it was a white light to the onlookers.

Abul Ala Maududi

and he drew his hand (out of his armpit) and lo! it had become a shining object to the beholders.

Pickthall

And he drew forth his hand and lo! it was white to the beholders.

Yusuf Ali

And he drew out his hand, and behold, it was white to all beholders!

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

আর মূসা (বগলের নীচ দিয়ে) নিজের হাত টেনে বের করল, আর তা দর্শকদের সামনে ঝকমক করতে লাগল।

রাওয়াই আল-বায়ান

আর সে তার হাত বের করল, ফলে তা তৎক্ষণাৎ দর্শকদের সামনে উজ্জ্বল-সাদা হয়ে দেখা দিল।

শাইখ মুজিবুর রহমান

আর মূসা হাত বের করল, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের দৃষ্টিতে শুভ্র উজ্জ্বল প্রতিভাত হল।

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

আর মূসা তার হাত বের করলে তৎক্ষনাৎ তা দর্শকদের দৃষ্টিতে শুভ্র উজ্জ্বল প্রতিভাত হল।

ফাতহুল মাজীদ

এবং মূসা হাত বের করল আর তৎক্ষণাৎ সেটা দর্শকদের দৃষ্টিতে শুভ্র উজ্জ্বল প্রতিভাত হল।

মুখতাসার

৩৩. আর তিনি নিজ হাতখানা পকেটে ঢুকিয়ে আবার বের করলে তা এক উজ্জ্বল শুভ্র হাতে পরিণত হয়। যা শ্বেতের কোন শুভ্রতা নয়। যা দর্শকরা এভাবেই প্রত্যক্ষ করে।

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

26:29

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

আর মূসা তার হাত বের করলে তৎক্ষনাৎ তা দর্শকদের দৃষ্টিতে শুভ্র উজ্জ্বল প্রতিভাত হল।

তাফসীর আল-কুরতুবী

[সূরা আশ-শুআরা (২৬): আয়াত ২৩ থেকে ৫১] পূর্ণ পৃষ্ঠা

[সূরা আশ-শুআরা (২৬): আয়াত ২৩ থেকে ৫১]ফিরআউন বলল, "আর জগতসমূহের প্রতিপালক আবার কে?" (২৩) তিনি বললেন, "তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও।" (২৪) সে তার চারপাশের লোকদের বলল, "তোমরা কি শুনছ না?" (২৫) তিনি বললেন, "তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদেরও প্রতিপালক।" (২৬) সে বলল, "তোমাদের নিকট প্রেরিত তোমাদের এই রসূল তো অবশ্যই একজন উন্মাদ।" (২৭)তিনি বললেন, "তিনি পূর্ব ও পশ্চিম এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা বুঝতে পারো।" (২৮) সে বলল, "তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্য কাউকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারারুদ্ধদের অন্তর্ভুক্ত করব।" (২৯) তিনি বললেন, "আমি যদি তোমার নিকট কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসি, তবুও কি?" (৩০) সে বলল, "তবে তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে তা নিয়ে এসো।" (৩১) অতঃপর তিনি তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, তৎক্ষণাৎ তা একটি প্রকাশ্য অজগরে পরিণত হলো।

(৩২)এবং তিনি তাঁর হাত বের করলেন, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের কাছে শুভ্র উজ্জ্বল প্রতীয়মান হলো। (৩৩) সে তার চারপাশের পরিষদবর্গকে বলল, "নিশ্চয় এই ব্যক্তি একজন বিজ্ঞ জাদুকর।" (৩৪) "সে তার জাদুর মাধ্যমে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বের করে দিতে চায়। এখন তোমরা কী পরামর্শ দাও?" (৩৫) তারা বলল, "তাকে ও তার ভাইকে অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে সংগ্রাহকদের পাঠিয়ে দিন," (৩৬) "যাতে তারা আপনার নিকট প্রতিটি বিজ্ঞ জাদুকরকে নিয়ে আসে।" (৩৭)অতঃপর জাদুকরদের এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে একত্রিত করা হলো। (৩৮) এবং সাধারণ মানুষকে বলা হলো, "তোমরাও কি সমবেত হবে?" (৩৯) "যাতে আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি, যদি তারা বিজয়ী হয়।" (৪০) অতঃপর জাদুকররা যখন উপস্থিত হলো, তারা ফিরআউনকে বলল, "আমরা যদি বিজয়ী হই, তবে আমাদের জন্য কি পুরস্কার থাকবে?" (৪১) সে বলল, "হ্যাঁ, এবং তখন তোমরা অবশ্যই আমার ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" (৪২)মুসা তাদেরকে বললেন, "তোমাদের যা নিক্ষেপ করার নিক্ষেপ করো।" (৪৩) অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠিগুলো নিক্ষেপ করল এবং বলল, "ফিরআউনের প্রতাপের শপথ, নিশ্চয়ই আমরাই বিজয়ী হবো।" (৪৪) অতঃপর মুসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, আর হঠাৎ তা তাদের অলীক সৃষ্টিগুলোকে গ্রাস করতে লাগল।

(৪৫) তখন জাদুকরেরা সেজদায় পড়ে গেল। (৪৬) তারা বলল, "আমরা জগতসমূহের প্রতিপালকের ওপর ঈমান আনলাম।" (৪৭)"যিনি মুসা ও হারুনের প্রতিপালক।" (৪৮) সে (ফিরআউন) বলল, "আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেওয়ার আগেই কি তোমরা তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলে? নিশ্চয় সে-ই তোমাদের প্রধান যে"