Ash-Shu'ara
আশ-শুআরা: 47
26 আশ-শুআরা Ash-Shu'ara · 227 আয়াত الشعراء
মূল আরবি
قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ
English Translations
They said, "We have believed in the Lord of the worlds,
Saying: "We believe in the Lord of the 'Alamin (mankind, jinns and all that exists).
They said, “We have believed in the Lord of the worlds,
saying: "We (now) believe in the Lord of the Universe,
Crying: We believe in the Lord of the Worlds,
Saying: "We believe in the Lord of the Worlds,
বাংলা অনুবাদ
তারা বলল- ‘আমরা বিশ্বাস স্থাপন করলাম রাব্বুল ‘আলামীনের প্রতি,
তারা বলল, ‘আমরা ঈমান আনলাম সকল সৃষ্টির রবের প্রতি’।
তারা বললঃ আমরা ঈমান আনলাম জগতসমূহের রবের প্রতি –
তারা বলল, ‘আমরা ঈমান আনলাম সৃষ্টিকুলের রবের প্রতি---
এবং তারা বলল: ‘আমরা ঈমান আনয়ন করলাম জগতসমূহের প্রতিপালকের প্রতি,
৪৭. তারা বললো: আমরা সকল সৃষ্টির মালিকের উপর ঈমান এনেিেছ।
তাফসীর
26:38
তারা বলল, ‘আমরা ঈমান আনলাম সৃষ্টিকুলের রব-এর প্রতি---
[সূরা আশ-শুআরা (২৬): আয়াত ২৩ থেকে ৫১] পূর্ণ পৃষ্ঠা
[সূরা আশ-শুআরা (২৬): আয়াত ২৩ থেকে ৫১]ফিরআউন বলল, "আর জগতসমূহের প্রতিপালক আবার কে?" (২৩) তিনি বললেন, "তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও।" (২৪) সে তার চারপাশের লোকদের বলল, "তোমরা কি শুনছ না?" (২৫) তিনি বললেন, "তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদেরও প্রতিপালক।" (২৬) সে বলল, "তোমাদের নিকট প্রেরিত তোমাদের এই রসূল তো অবশ্যই একজন উন্মাদ।" (২৭)তিনি বললেন, "তিনি পূর্ব ও পশ্চিম এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা বুঝতে পারো।" (২৮) সে বলল, "তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্য কাউকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারারুদ্ধদের অন্তর্ভুক্ত করব।" (২৯) তিনি বললেন, "আমি যদি তোমার নিকট কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসি, তবুও কি?" (৩০) সে বলল, "তবে তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে তা নিয়ে এসো।" (৩১) অতঃপর তিনি তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, তৎক্ষণাৎ তা একটি প্রকাশ্য অজগরে পরিণত হলো।
(৩২)এবং তিনি তাঁর হাত বের করলেন, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের কাছে শুভ্র উজ্জ্বল প্রতীয়মান হলো। (৩৩) সে তার চারপাশের পরিষদবর্গকে বলল, "নিশ্চয় এই ব্যক্তি একজন বিজ্ঞ জাদুকর।" (৩৪) "সে তার জাদুর মাধ্যমে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বের করে দিতে চায়। এখন তোমরা কী পরামর্শ দাও?" (৩৫) তারা বলল, "তাকে ও তার ভাইকে অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে সংগ্রাহকদের পাঠিয়ে দিন," (৩৬) "যাতে তারা আপনার নিকট প্রতিটি বিজ্ঞ জাদুকরকে নিয়ে আসে।" (৩৭)অতঃপর জাদুকরদের এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে একত্রিত করা হলো। (৩৮) এবং সাধারণ মানুষকে বলা হলো, "তোমরাও কি সমবেত হবে?" (৩৯) "যাতে আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি, যদি তারা বিজয়ী হয়।" (৪০) অতঃপর জাদুকররা যখন উপস্থিত হলো, তারা ফিরআউনকে বলল, "আমরা যদি বিজয়ী হই, তবে আমাদের জন্য কি পুরস্কার থাকবে?" (৪১) সে বলল, "হ্যাঁ, এবং তখন তোমরা অবশ্যই আমার ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" (৪২)মুসা তাদেরকে বললেন, "তোমাদের যা নিক্ষেপ করার নিক্ষেপ করো।" (৪৩) অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠিগুলো নিক্ষেপ করল এবং বলল, "ফিরআউনের প্রতাপের শপথ, নিশ্চয়ই আমরাই বিজয়ী হবো।" (৪৪) অতঃপর মুসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, আর হঠাৎ তা তাদের অলীক সৃষ্টিগুলোকে গ্রাস করতে লাগল।
(৪৫) তখন জাদুকরেরা সেজদায় পড়ে গেল। (৪৬) তারা বলল, "আমরা জগতসমূহের প্রতিপালকের ওপর ঈমান আনলাম।" (৪৭)"যিনি মুসা ও হারুনের প্রতিপালক।" (৪৮) সে (ফিরআউন) বলল, "আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেওয়ার আগেই কি তোমরা তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলে? নিশ্চয় সে-ই তোমাদের প্রধান যে"
