Ash-Shu'ara
আশ-শুআরা: 51
26 আশ-শুআরা Ash-Shu'ara · 227 আয়াত الشعراء
মূল আরবি
إِنَّا نَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَـٰيَـٰنَآ أَن كُنَّآ أَوَّلَ ٱلْمُؤْمِنِينَ
English Translations
Indeed, we aspire that our Lord will forgive us our sins because we were the first of the believers."
"Verily! We really hope that our Lord will forgive us our sins, as we are the first of the believers [in Musa (Moses) and in the Monotheism which he has brought from Allah]."
We really hope that our Lord will forgive us our faults, as we are the first of the believers.”
and we surely expect that Our Lord will forgive us our sins for we are the first ones to believe."
Lo! we ardently hope that our Lord will forgive us our sins because we are the first of the believers.
"Only, our desire is that our Lord will forgive us our faults, that we may become foremost among the believers!"
বাংলা অনুবাদ
আমাদের একমাত্র আশা এই যে, আমাদের প্রতিপালক আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করবেন, কারণ আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে প্রথম।’
‘আমরা আশা করি যে, আমাদের রব আমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন, কারণ আমরা মুমিনদের মধ্যে প্রথম।’
আমরা আশা করি যে, আমাদের রাব্ব আমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন, কারণ আমরা মু’মিনদের মধ্যে অগ্রণী।
আমরা আশা করি যে, আমাদের রব আমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন, কারণ আমরা মুমিনদের মধ্যে অগ্রণী।’
আমরা আশা করি যে, আমাদের প্রতিপালক আমাদের অপরাধ মার্জনা করবেন, কারণ আমরা মু’মিনদের মধ্যে অগ্রণী।’
৫১. আমরা আশা করছি যে, আল্লাহ তা‘আলা আমাদের কৃত পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। কারণ, আমরা মূসা (আলাইহিস-সালাম) এর উপর সর্বপ্রথম ঈমান আনয়নকারী এবং তাঁকে সত্যায়নকারী।
তাফসীর
26:49
আমরা আশা করি যে, আমাদের রব আমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন, কারণ আমরা মুমিনদের মধ্যে অগ্রণী।’
[সূরা আশ-শুআরা (২৬): আয়াত ২৩ থেকে ৫১] পূর্ণ পৃষ্ঠা
[সূরা আশ-শুআরা (২৬): আয়াত ২৩ থেকে ৫১]ফিরআউন বলল, "আর জগতসমূহের প্রতিপালক আবার কে?" (২৩) তিনি বললেন, "তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও।" (২৪) সে তার চারপাশের লোকদের বলল, "তোমরা কি শুনছ না?" (২৫) তিনি বললেন, "তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদেরও প্রতিপালক।" (২৬) সে বলল, "তোমাদের নিকট প্রেরিত তোমাদের এই রসূল তো অবশ্যই একজন উন্মাদ।" (২৭)তিনি বললেন, "তিনি পূর্ব ও পশ্চিম এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা বুঝতে পারো।" (২৮) সে বলল, "তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্য কাউকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারারুদ্ধদের অন্তর্ভুক্ত করব।" (২৯) তিনি বললেন, "আমি যদি তোমার নিকট কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসি, তবুও কি?" (৩০) সে বলল, "তবে তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে তা নিয়ে এসো।" (৩১) অতঃপর তিনি তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, তৎক্ষণাৎ তা একটি প্রকাশ্য অজগরে পরিণত হলো।
(৩২)এবং তিনি তাঁর হাত বের করলেন, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের কাছে শুভ্র উজ্জ্বল প্রতীয়মান হলো। (৩৩) সে তার চারপাশের পরিষদবর্গকে বলল, "নিশ্চয় এই ব্যক্তি একজন বিজ্ঞ জাদুকর।" (৩৪) "সে তার জাদুর মাধ্যমে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বের করে দিতে চায়। এখন তোমরা কী পরামর্শ দাও?" (৩৫) তারা বলল, "তাকে ও তার ভাইকে অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে সংগ্রাহকদের পাঠিয়ে দিন," (৩৬) "যাতে তারা আপনার নিকট প্রতিটি বিজ্ঞ জাদুকরকে নিয়ে আসে।" (৩৭)অতঃপর জাদুকরদের এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে একত্রিত করা হলো। (৩৮) এবং সাধারণ মানুষকে বলা হলো, "তোমরাও কি সমবেত হবে?" (৩৯) "যাতে আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি, যদি তারা বিজয়ী হয়।" (৪০) অতঃপর জাদুকররা যখন উপস্থিত হলো, তারা ফিরআউনকে বলল, "আমরা যদি বিজয়ী হই, তবে আমাদের জন্য কি পুরস্কার থাকবে?" (৪১) সে বলল, "হ্যাঁ, এবং তখন তোমরা অবশ্যই আমার ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" (৪২)মুসা তাদেরকে বললেন, "তোমাদের যা নিক্ষেপ করার নিক্ষেপ করো।" (৪৩) অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠিগুলো নিক্ষেপ করল এবং বলল, "ফিরআউনের প্রতাপের শপথ, নিশ্চয়ই আমরাই বিজয়ী হবো।" (৪৪) অতঃপর মুসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, আর হঠাৎ তা তাদের অলীক সৃষ্টিগুলোকে গ্রাস করতে লাগল।
(৪৫) তখন জাদুকরেরা সেজদায় পড়ে গেল। (৪৬) তারা বলল, "আমরা জগতসমূহের প্রতিপালকের ওপর ঈমান আনলাম।" (৪৭)"যিনি মুসা ও হারুনের প্রতিপালক।" (৪৮) সে (ফিরআউন) বলল, "আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেওয়ার আগেই কি তোমরা তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলে? নিশ্চয় সে-ই তোমাদের প্রধান যে"
