As-Saffat

আস-সাফফাত: 62

37:62
টেক্সট কপি

মূল আরবি

أَذَٰلِكَ خَيْرٌ نُّزُلًا أَمْ شَجَرَةُ ٱلزَّقُّومِ

English Translations

Sahih International

Is that [i.e., Paradise] a better accommodation or the tree of zaqqūm?

Muhsin Khan

Is that (Paradise) better entertainment or the tree of Zaqqum (a horrible tree in Hell)?

Taqi Usmani

Is that (blissful Paradise) better for hospitality or the tree of zaqqūm ?

Abul Ala Maududi

Is this a better hospitality or the tree of al-Zaqqum?

Pickthall

Is this better as a welcome, or the tree of Zaqqum?

Yusuf Ali

Is that the better entertainment or the Tree of Zaqqum?

বাংলা অনুবাদ

তাইসিরুল কুরআন

আপ্যায়ন হিসেবে এটা উত্তম, না, (জাহান্নামের) জাক্কুম গাছ?

রাওয়াই আল-বায়ান

আপ্যায়নের জন্য এগুলো উত্তম না যাক্কূম* বৃক্ষ? * অতি তিক্ত স্বাদযুক্ত জাহান্নামের এক গাছ।

শাইখ মুজিবুর রহমান

আপ্যায়নের জন্য কি এটাই শ্রেষ্ঠ, না কি যাক্কুম বৃক্ষ?

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

আপ্যায়নের জন্য কি এটাই শ্রেয়, না যাক্কুম গাছ?

ফাতহুল মাজীদ

এ সকল আপ্যায়ন উত্তম, নাকি যাক্কূম গাছ?

মুখতাসার

৬২. উপরোল্লিখিত এই স্থায়ী নিয়ামত যা আল্লাহ সেসব বান্দার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করেছেন যাদেরকে তিনি তাঁর আনুগত্যের জন্য খাঁটি করেছেন তা সম্মান ও অবস্থানের ক্ষেত্রে উত্তম, না কি ‘যাক্কুম’ নামক কুরআনের অভিশপ্ত বৃক্ষ যা কাফিরদের খাদ্য। যা না পুষ্ট করে, না ক্ষুধা নিবারণ করে?!

তাফসীর

তাফসীর ইবনে কাসীর

৬২-৭০ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা জান্নাতের বিভিন্ন নিয়ামতের বর্ণনা দেয়ার পর বলেনঃ জান্নাতের এসব নিয়ামত উত্তম, না ‘যাককূম’ নামীয় বৃক্ষ? অর্থাৎ যা জাহান্নামে রয়েছে। এর অর্থ নিকৃষ্ট একটি গাছ হতে পারে যা জাহান্নামের সকল প্রকোষ্ঠে প্রসারিত। যেমন ‘বা' নামক একটি গাছ, যার শাখা জান্নাতের প্রতিটি কামরায় প্রবিষ্ট রয়েছে। এও হতে পার যে, ওটা যাকূম জাতীয় গাছ। অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “অতঃপর হে বিভ্রান্ত মিথ্যা আবোপকারীরা! তোমরা অবশ্যই আহার করবে যাকূম বৃক্ষ হতে।”(৫৬:৫১-৫২)মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “আমি এটা যালিমদের জন্যে সৃষ্টি করেছি পরীক্ষা স্বরূপ।' কাতাদা (রঃ) বলেন যে, যাকূম গাছের উল্লেখ পথভ্রষ্টদের জন্যে ফিত্না হয়ে গেছে।

তারা বলেঃ “আরে দেখো, দেখো। এ নবী বলে কি শুন! আগুনে নাকি গাছ হবে? আগুনতো গাছকে জ্বালিয়ে দেয়। সুতরাং এটা কোন ধরনের কথা?” তাদের একথা প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “নিশ্চয়ই এ বৃক্ষ উদ্গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হতে।' হ্যা, এই গাছ আগুন থেকেই জন্মে এবং আগুনই ওর খাদ্য। মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, অভিশপ্ত আবু জেহেল এ কথা শুনে হাসিতে ফেটে পড়তো এবং বলতোঃ “আমি তো মজা করে খেজুর ও মাখন বাবো এবং এরই নাম যাকূম। মোটকথা এটাও একটা পরীক্ষা। ভাল লোকেরা এতে ভয়ে আঁৎকে উঠে, আর মন্দ লোকেরা একে হেসে উড়িয়ে দেয়। যেমন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি যে দৃশ্য তোমাকে দেখিয়েছি তা এবং কুরআনে উল্লিখিত অভিশপ্ত বৃক্ষটিও শুধু মানুষের জন্যে।

আমি তাদেরকে ভীতি প্রদর্শন করি, কিন্তু এটা তাদের ঘোর অবাধ্যতাই বৃদ্ধি করে।”(১৭:৬০)আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “ওর মোচা যেন শয়তানের মাথা।' এ কথা দ্বারা উক্ত গাছের কদর্যতা বর্ণনা করা হয়েছে। অহাব ইবনে মুনাব্বাহ (রঃ) বলেন যে, শয়তানের মস্তক আকাশে প্রতিষ্ঠিত। এ গাছের মোচাকে শয়তানের মস্তকের সাথে তুলনা করার উদ্দেশ্য শুধু এটাই যে, যদিও কেউ কখনো শয়তানকে দেখেনি, তবুও তার নাম শুনামাত্রই তার জঘন্য রূপের ছবি মানুষের মানসপটে ভেসে ওঠে। উক্ত গাছেরও অবস্থা এইরূপ। এর ভিতর ও বাহির উভয়ই খারাপ। একথাও বলা হয়েছে যে, এটা এক প্রকার সর্প বিশেষ যার মস্তক অত্যন্ত ভয়ংকর।

একটি উক্তি এও আছে যে, ওটা এক প্রকার উদ্ভিদ, যা অত্যন্ত জঘন্যভাবে বর্ধিত ও বিস্তৃত হয়ে থাকে। কিন্তু এ দুটি সম্ভাবনা সঠিক নয়। সঠিক ওটাই যা আমরা বর্ণনা করলাম। মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেনঃ তারা এটা হতে ভক্ষণ করবে এবং উদর পূর্ণ করবে এর দ্বারা। সেই দুর্গন্ধময় তীব্র তিক্ত তরু জোরপূর্বক তাদেরকে খাওয়ানো হবে। আর এটা তারা খেতেও বাধ্য হবে। এটাও এক প্রকারের শাস্তি। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “তাদের জন্যে খাদ্য থাকবে না যারী [(আরবী) আরব দেশের এক প্রকার গুল্ম। এটা যখন সবুজ থাকে তখন একে (আরবী) (শিবরাক) বলা হয়। আর যখন শুকিয়ে যায় তখন একে (আরবী) (যারী) বলা হয়।

এটা খুব বিষাক্ত এবং কোন জন্তুই এটা খায় না] ব্যতীত। যা তাদেরকে পুষ্ট করবে না এবং তাদের ক্ষুধা নিবৃত্তও করবে না।” (৮৮:৬-৭) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) (আরবী)-এ আয়াতটি পাঠ করে বলেনঃ “যদি যাকূম বৃক্ষের এক ফোঁটা রস দুনিয়ার সমুদ্রে পতিত হয় তবে সারা বিশ্ববাসীর সমস্ত খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হয়ে যাবে। তাহলে যার খাদ্য এটাই হবে তার কি অবস্থা হবে।” (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (রঃ), ইমাম তিরমিযী (রঃ), ইমাম নাসাঈ (রঃ) এবং ইমাম ইবনে মাজাহ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)এরপর মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ বলেনঃ তদুপরি তাদের জন্যে থাকবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।' অথবা ভাবার্থ হচ্ছেঃ ঐ জাহান্নামী গাছকে জাহান্নামী পানির সাথে মিশিয়ে তাদেরকে পান করানো হবে।

আর এই গরম পানি ওটাই হবে যা জাহান্নামীদের ক্ষতস্থান হতে রক্ত, পুঁজ ইত্যাদি আকারে বের হয়ে আসবে এবং তাদের চক্ষু হতে ও গুপ্তাঙ্গ হতে বেরিয়ে আসবে। হযরত আবু উমামা বাহিলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলতেনঃ “যখন এই পানি তাদের সামনে ধরা হবে তখন তা তাদের নিকট অপছন্দনীয় হবে। আর যখন তা তাদের চেহারার সামনে তুলে ধরা হবে তখন ওর তাপে তাদের চেহারা ঝলসে যাবে। আর যখন তারা ওটা পান করবে তখন তাদের নাড়িভূড়ী কেটে নিম্ন রাস্তা দিয়ে বের হয়ে যাবে।” (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত সাঈদ ইবনে জুবায়ের (রঃ) বলেন যে, জাহান্নামীরা যখন ক্ষুধার কথা বলবে তখন তাদেরকে যাকূম খাওয়ানো হবে।

ফলে তাদের মুখের চামড়া সম্পূর্ণ খসে পড়বে। এমনকি কোন পরিচিত ব্যক্তি সেই মুখের চামড়া দেখেই তাদেরকে চিনে নিবে। তারপর পিপাসায় ছটফট করে যখন পানি চাইবে তখন গলিত তামার ন্যায় গরম পানি তাদেরকে পান করতে দেয়া হবে। ওটা চেহারার সামনে আসা মাত্রই চেহারার গোশত ঝলসিয়ে দিবে এবং সমস্ত গোশত খসে পড়বে। আর পেটে গিয়ে ওটা নাড়িভূড়ি বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে এবং উপর থেকে লোহার হাতুড়ী দ্বারা প্রহার করা হবে। ফলে দেহের এক একটি অংশ পৃথক। পৃথক হয়ে যাবে। তখন তারা মৃত্যু কামনা করতে থাকবে। প্রবল প্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “অতঃপর তাদের গন্তব্য হবে অবশ্যই প্রজ্বলিত অগ্নির দিকে।

সেখানে তাদের উপর বিভিন্ন প্রকারের শাস্তি হতে থাকবে। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তারা জাহান্নামের অগ্নি ও ফুটন্ত পানির মধ্যে ছুটাছুটি করবে।”(৫৫:৪৪) হযরত আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর কিরআতে (আরবী) রয়েছে। হযরত আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেনঃ “যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! দুপুরের পূর্বেই জান্নাতীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে পৌঁছে যাবে। আর সেখানেই তারা দুপুরের বিশ্রাম করবে।” অতঃপর তিনি নিম্নের আয়াতটি পাঠ করেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “সেই দিন হবে জান্নাতবাসীদের বাসস্থান উৎকৃষ্ট এবং বিশ্রামস্থল মনোরম।”(২৫-২৪) মোটকথা কায়লুলার (দুপুরের বিশ্রামের) সময় উভয় দল নিজ নিজ ঠিকানায় অবস্থান করবে।

এই অর্থের জন্যে (আরবী) শব্দটি (আরবী)-এর উপর (আরবী)-এর (আরবী)-এর জন্যে হবে। এটা ওরই প্রতিফল যে, তারা তাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছিল বিপথগামী এবং তারা তাদের পদাংক অনুসরণে ধাবিত হয়েছিল। মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, বাধ্য হয়ে এবং সাঈদ ইবনে জুবায়ের (রাঃ) বলেন যে, নির্বোধ হিসেবে তাদের পদাংক অনুসরণ করেছিল।

তাফসীর আবু বকর যাকারিয়া

আপ্যায়নের জন্য কি এটাই শ্রেয়, না যাক্কুম গাছ?

তাফসীর আল-কুরতুবী

[سورة الصافات (37): الآيات 62 الى 68] পূর্ণ পৃষ্ঠা

‌[সুরা আস-সাফফাত (৩৭): আয়াত ৬২ থেকে ৬৮]আপ্যায়নের জন্য কি এটাই শ্রেষ্ঠ, নাকি যাক্কুম গাছ? (৬২) নিশ্চয়ই আমি একে জালিমদের জন্য এক পরীক্ষা স্বরূপ করেছি। (৬৩) নিশ্চয়ই এটি এমন এক বৃক্ষ যা জাহান্নামের তলদেশ থেকে উদগত হয়। (৬৪) এর গুচ্ছ যেন শয়তানদের মস্তক। (৬৫) তারা অবশ্যই তা থেকে আহার করবে এবং এর মাধ্যমে তাদের পেট পূর্ণ করবে। (৬৬)অতঃপর তাদের জন্য এর ওপর ফুটন্ত পানির মিশ্রণ থাকবে। (৬৭) এরপর তাদের প্রত্যাবর্তন অবশ্যই প্রজ্বলিত অগ্নিকুণ্ডের দিকে। (৬৮)মহান আল্লাহর বাণী: "এটাই কি শ্রেষ্ঠ" অংশটি উদ্দেশ্য ও বিধেয় (মুবতাদা ও খবর) হিসেবে রয়েছে এবং এটি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কালাম

"আপ্যায়ন হিসেবে" পদটি ব্যাকরণগত বিশ্লেষণের (তাময়িয) ভিত্তিতে এসেছে। এর অর্থ হলো—জান্নাতের নিয়ামত কি আপ্যায়নের বিচারে শ্রেষ্ঠ, নাকি যাক্কুম গাছ আপ্যায়নের বিচারে শ্রেষ্ঠ? ভাষাবিদ নাহহাস-এর মতে, 'নুজুল' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো সেই প্রশস্ত রিযিক যা মেহমানের আপ্যায়নে ব্যবহৃত হয়। 'নুযল' শব্দটিও একই অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে 'যা' বর্ণে সুকুন যোগে এটি একটি স্বতন্ত্র উপভাষা হতে পারে, অথবা এর মূল হতে পারে 'নুজুল'। এখান থেকেই বাক্যটি এসেছে—"আমি কওমের জন্য তাদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেছি।" এর বুৎপত্তিগত অর্থ হলো এমন খাদ্য যা গ্রহণ করে মানুষ কোথাও অবস্থান বা আরাম করতে পারে।

এ বিষয়টি ইতিপূর্বে সুরা আলে ইমরানের শেষে আলোচিত হয়েছে। আর 'যাক্কুম' গাছটি 'তাজাক্কুম' শব্দ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ হলো চরম ঘৃণা ও দুর্গন্ধের কারণে অতি কষ্টে কোনো কিছু গেলা। মুফাসসিরগণ বলেন: এটি জাহান্নামের ষষ্ঠ স্তরে অবস্থিত এবং আগুনের লেলিহান শিখার মধ্যেই এটি সজীব থাকে, যেমন পানির শীতলতায় সাধারণ বৃক্ষ সজীব থাকে। তাই জাহান্নামবাসীদের মধ্যে যারা এর উপরে থাকবে তারা নিচে নেমে আসবে এবং যারা নিচে থাকবে তারা উপরে আরোহণ করবে যেন তা থেকে ভক্ষণ করতে পারে। এই গাছটি আরবরা চেনে এমন কোনো পার্থিব গাছ কি না, সে বিষয়ে দুটি মত রয়েছে। প্রথম মতটি হলো—এটি একটি সুপরিচিত পার্থিব গাছ।

তবে যারা এই মত পোষণ করেন তারা আবার এর পরিচয় নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন। কুতরুব বলেন: এটি তিহামা অঞ্চলের একটি অত্যন্ত তিক্ত ও নিকৃষ্ট গাছ। অন্যান্যের মতে, এটি মূলত যেকোনো বিষাক্ত উদ্ভিদকে বোঝায়। দ্বিতীয় মতটি হলো: এটি দুনিয়ার কোনো পরিচিত গাছ নয়। যখন যাক্কুম গাছ সংক্রান্ত এই আয়াত অবতীর্ণ হলো, তখন কুরাইশ কাফিররা বলল: "আমরা তো এই গাছ চিনি না।" এরপর আফ্রিকা থেকে আগত এক ব্যক্তিকে তারা এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে সে বলল: "আমাদের কাছে এর অর্থ হলো মাখন ও খেজুর।" তখন ইবনুল যিবআরি বলল: "আল্লাহ আমাদের ঘরে যাক্কুমের প্রাচুর্য দান করুন।" আবু জাহেল তার দাসীকে ডাকল এবং বলল: "আমাদের যাক্কুম খাওয়াও।" তখন সে তার জন্য মাখন ও খেজুর নিয়ে এল।

এরপর সে তার সঙ্গীদের বলল: "তোমরা যাক্কুম খাও! মুহাম্মদ আমাদের এই জিনিস দিয়েই ভয় দেখাচ্ছেন; তিনি দাবি করেন যে আগুন গাছ উৎপন্ন করে, অথচ আগুন তো গাছকে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়।"(১) দ্রষ্টব্য: ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩২১, প্রথম বা দ্বিতীয় মুদ্রণ।